ক্যামেরা নজরদারিতে চট্টগ্রাম নগরী, ৫০টি স্পর্শকাতর পয়েন্টে ক্যামেরা

প্রকাশ:| মঙ্গলবার, ৬ মে , ২০১৪ সময় ১১:০৯ অপরাহ্ণ

সার্ভিল্যান্স ক্যামেরা২ চট্টগ্রাম নগরীর সাতটি প্রবেশপথসহ ৫০টি স্পর্শকাতর পয়েন্টে বসছে সার্ভিল্যান্স ক্যামেরা। অপহরণ-ছিনতাই, চুরিসহ বিভিন্ন ধরনের অপরাধ মোকাবেলায় নগর পুলিশ এ গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

আগামী সপ্তাহ থেকে সার্ভিল্যান্স ক্যামেরা বসানোর প্রক্রিয়া শুরু হবে। ৫০টি পয়েন্টে ৫০টি ক্যামেরা বসানোর কাজ চলতি মাসের মধ্যেই শেষ হবে বলে আশা করছে পুলিশ। নগরীর এক’শটি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টের তালিকা করা হয়।এরপর সেখান থেকে চট্টগ্রাম শাহ আমানত আর্ন্তজাতিক বিমানবন্দর, সিটি গেইট, অক্সিজেন মোড়, কাপ্তাই রাস্তার মাথা, কালুরঘাট সেতু, শাহ আমানত সেতু, রেলস্টেশন, বহদ্দারহাট, জিইসি, দু’নম্বর গেইট, নিউমার্কেট, কোতয়ালী, লালদিঘি, সিআরবি, ওয়াসা, টাইগারপাস মোড়সহ স্পর্শকাতর ৫০টি পয়েন্টের তালিকা চূড়ান্ত করা হয়। একই বৈঠকে ইউমিনেশন নেটওয়ার্ক নামে একটি বেসরকারী সংস্থাকে ক্যামেরা বসানোর কাজ দেয়া হয়।

নগর গোয়েন্দা পুলিশের অতিরিক্ত উপ কমিশনার বাবুল আক্তার বলেন, অপরাধ মোকাবেলার সুবিধায় আমরা নগরীর ৫০টি পয়েন্টে সার্ভিল্যান্স ক্যামেরা বসানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছি। প্রত্যেকটি ক্যামেরা যেখানে স্থাপন করা হবে তার ৪০০ মিটারের মধ্যে গাড়ির নম্বরসহ সার্বিক চিত্র ক্যামেরায় ধারণ হবে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সোমবার নগর পুলিশের শীর্ষ কর্মকর্তাদের জরুরি বৈঠকে অপরাধ মোকাবেলায় সার্ভিল্যান্স ক্যামেরা বসানোর সিদ্ধান্ত হয়। বৈঠকে চট্টগ্রাম নগরীর এক’শটি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টের তালিকা করা হয়। আপাতত আমরা খরচের একটি প্রাথমিক হিসাব করেছি। সিএমপি’র নিজস্ব তহবিল থেকেই এ খরচের যোগান দেয়া হবে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, নগরীতে গাড়ি চুরি, ছিনতাই, অপহরণসহ বিভিন্ন দুর্ধর্ষ অপরাধের অধিকাংশই সংঘটিত করে বাইরের দুর্বৃত্তরা। তারা নগরীতে এসে অপরাধ সংঘটিত করে দ্রুত পালিয়ে যায়। এতে অপরাধীদের শনাক্ত করতে পুলিশকে যথেষ্ঠ বেগ পেতে হয়।

সার্ভিলেন্স ক্যামেরা বসানোর পর গাড়ির নম্বরসহ সার্বিক চিত্র পর্যালোচনা করে অপরাধের প্রাথমিক তথ্য পাওয়া যাবে। পাশাপাশি অনেক অপরাধের আগাম তথ্য কিংবা ইঙ্গিতও মিলবে বলে মনে করছেন পুলিশ কর্মকর্তারা।