কোরবানির বর্জ্য নির্দিষ্ট স্থানে ফেলতে মেয়রের এসএমএস

প্রকাশ:| সোমবার, ১২ সেপ্টেম্বর , ২০১৬ সময় ০৪:১৬ অপরাহ্ণ

নগরবাসীর মোবাইলে পাঠানো ক্ষুদেবার্তায় চসিক মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিন কোরবানির বর্জ্য নির্দিষ্ট স্থানে ফেলে ‘গ্রীণ সিটি ক্লিন সিটি’ বাস্তবায়নে সহযোগিতার অনুরোধ জানিয়েছেন।

এসএমএস২সিটি করপোরেশনের বিজ্ঞপ্তিতে রাস্তার আশপাশে যত্রতত্র প্রাণী কোরবানি না দেয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

এছাড়া এক বিবৃতিতে চসিক মেয়র নির্ধারিত স্থানে প্রাণী জবাই ছাড়াও নাড়িভুঁড়ি সড়ক-ফুটপাত, খাল-বিল, নালা-নর্দমা, ডোবা-জলাশয়ে কোন ধরনের বর্জ্য না ফেলার আহ্বান জানিয়েছেন।

যে কোন ধরনের বর্জ্য ডাস্টবিন, কন্টেইনার বা কর্পোরেশনের আবর্জনাবাহী গাড়ি সহজে চলাচল করতে পারে এমন জায়গায় রাখার জন্য নগরবাসীর কাছে অনুরোধ করেছে মেয়র।

এদিকে কোরবানির পশুর নাড়িভুঁড়ি ও অন্যান্য বর্জ্য অপসারণের জন্য নগরীর ৪১টি ওয়ার্ডকে ৪টি জোনে বিভক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে ১১টি ওয়ার্ড নিয়ে উত্তর, দক্ষিণ, পূর্ব ও পশ্চিম জোনে ১০টি করে মোট ৪১ ওয়ার্ডকে ভাগ করে দামপাড়ায় খোলা হয়েছে কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ কক্ষ। ৪টি জোনে বিবিরহাট, গোসাইলডাঙ্গা, দেওয়ান বাজার ও সরাইপাড়া ওয়ার্ড কার্যালয়ে ৪টি সাব কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে।

চসিক সূত্রে জানা গেছে, ৪১টি ওয়ার্ডে ১৮০টি আবর্জনাবাহী গাড়ি বর্জ্য ব্যবস্থাপনার কাজ করবে। এর মধ্যে আবর্জনাবাহী গাড়ি ১২৬টি, ট্রাক্টর ওয়াগন ৪টি, পে-লোডার ৮টি, ড্রাম ট্রাক ৩২টি এবং অতিরিক্ত গাড়ি ১০টি।

এছাড়াও ৬টি পানির ভাউচার, ২৫টি পানির ভ্যানগাড়ি, ৩টি পানির টেম্পো, ২টি পানির টেক্সি সার্বক্ষণিকভাবে কোরবানি পশুর রক্তসহ অন্যান্য বর্জ্যা পরিষ্কারের কাজ করবে বলে সূত্র জানিয়েছে।

বর্জ্য ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত চসিকের স্থায়ী কমিটির সভাপতি ও কাউন্সিলর শৈবাল দাশ সুমন বাংলানিউজকে জানান, কোরবানির দিন সকাল টায় চসিকের দুই হাজার পরিচ্ছন্ন কর্মী একযোগে মাঠে নেমে বর্জ্য অপসারণের কাজ শুরু করবেন। নগরীর ৪১ ওয়ার্ডের কাউন্সিলর, সংরক্ষিত কাউন্সিলর এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনা স্থায়ী কমিটি সার্বক্ষণিকভাবে বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম মনিটর করবে।

উত্তর জোনের অধীনে ১১টি ওয়ার্ড- ১নং দক্ষিণ পাহাড়তলী, ২নং জালালাবাদ, ৩নং পাঁচলাইশ, ৪নং চান্দগাঁও, ৫নং মোহরা, ৬নং পূর্ব ষোলশহর, ৭নং পশ্চিম শোলকবহর, ৮নং শোলকবহর, ১৫নং বাগমনিরাম, ১৬নং চকবাজার ও ২১নং জামালখান ওয়ার্ড।

দক্ষিণ জোনে ১০টি ওয়ার্ড- ২৩নং উত্তর পাঠানটুলী, ২৭নং দক্ষিণ আগ্রাবাদ, ২৮নং পাঠানটুলী, ২৯নং পশ্চিম মাদারবাড়ি, ৩৬নং গোসাইলডাঙ্গা, ৩৭নং হালিশহর মুনির নগর, ৩৮নং দক্ষিণ মধ্যম হালিশহর, ৩৯নং দক্ষিণ হালিশহর, ৪০নং উত্তর পতেঙ্গা ও ৪১নং দক্ষিণ পতেঙ্গা ওয়ার্ড।

পূর্ব জোনে ১০টি ওয়ার্ড- ১৭নং পশ্চিম বাকলিয়া, ১৮নং পূর্ব বাকলিয়া, ১৯নং দক্ষিণ বাকলিয়া, ২০নং দেওয়ান বাজার, ৩০নং পূর্ব মাদারবাড়ি, ৩১নং আলকরণ, ৩২নং আন্দরকিল্লা, ৩৩নং ফিরিঙ্গী বাজার, ৩৪নং পাথরঘাটা ও ৩৫নং বক্সিরহাট ওয়ার্ড।

পশ্চিম জোনে ১০টি ওয়ার্ড- ৯নং উত্তর পাহাড়তলী, ১০নং উত্তর কাট্টলী, ১১নং দক্ষিণ কাট্টলী, ১২নং সরাইপাড়া, ১৩নং পাহাড়তলী, ১৪নং লালখান বাজার, ২২নং এনায়েত বাজার, ২৪নং উত্তর আগ্রাবাদ, ২৫নং রামপুর ও ২৬নং উত্তর হালিশহর ওয়ার্ড।

অপসারণের পরও বর্জ্য কোথাও পড়ে থাকতে দেখা গেলে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা স্থায়ী কমিটির সভাপতি কাউন্সিলর শৈবাল দাশ সুমন ০১৯১১৮৮৫১৯৯, ০১৭৬৬৪০২৪২৫, উত্তর জোনের আহবায়ক কাউন্সিলর মোহাম্মদ আজম ০১৭১৫৯৬৫৯১১, দক্ষিণ জোনের আহবায়ক কাউন্সিলর মোহাম্মদ জাবেদ-০১৮১৯৩১৭৩০১, পূর্ব জোনের আহবায়ক- কাউন্সিলর হাজী নুরুল হক ০১৮৫১৫৯১০১৯৯, পশ্চিম জোনের আহ্বায়ক সংরক্ষিত ওয়ার্ড কাউন্সিলর জেসমিনা খানমের ০১৮১৯১৭৩২৮০ সঙ্গে এবং প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা শেখ শফিকুল মান্নান সিদ্দিকী ০১৭১২২৫২৬১৫, পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা মোরশেদ আলম ০১৬৭৫২১৮৪৮৫ ও শেখ হাসান রেজার ০১৭১৫৬৭৬৭৭০ সঙ্গে যোগাযোগগের অনুরোধ করেছে চসিক। এছাড়া কন্ট্রোল রুমে ৬৩০৭৩৯, ৬৩৩৬৪৯ নম্বরেও যোগাযোগের অনুরোধ করেছে চসিক।