কোকেন মামলা: জবানবন্দি দিচ্ছেন মোস্তফা কামাল

প্রকাশ:| সোমবার, ৩১ আগস্ট , ২০১৫ সময় ০৮:২৯ অপরাহ্ণ

কোকেনের একটি চালানচট্টগ্রাম বন্দরে সানফ্লাওয়ার তেলের সঙ্গে কোকেন আমদানির মামলায় আরও একজন আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিচ্ছেন। মামলায় গ্রেপ্তার হওয়ায় আবাসন ব্যবসায়ী মোস্তফা কামাল সোমবার (৩১ আগস্ট) সন্ধ্যা ৭টা থেকে জবানবন্দি দেয়া শুরু করেছেন।

চট্টগ্রাম মহানগর হাকিম ফরিদ আলম তার জবানবন্দি রেকর্ড করছেন। এর আগে ২৭ আগস্ট গ্রেপ্তার হওয়া খানজাহান আলী লিমিটেডের মালিকানাধীন প্রাইম হ্যাচারির ব্যবস্থাপক গোলাম মোস্তফা সোহেল এবং সিকিউরিটিজ প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা মেহেদি আলম একই আদালতে জবানবন্দি দেন।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও নগর গোয়েন্দা পুলিশের সহকারি কমিশনার (উত্তর) মো.কামরুজ্জামান বিষয়টি জানিয়েছেন।

নগর পুলিশের কাছ থেকে তথ্য পেয়ে তরল কোকেন সন্দেহে গত ৬ জুন রাতে চট্টগ্রাম বন্দরে একটি কনটেইনার বন্দরে সিলগালা করে শুল্ক গোয়েন্দা কর্মকর্তারা। ৮ জুন এটি খুলে ১০৭টি ড্রামের প্রতিটিতে ১৮৫ কেজি করে সানফ্লাওয়ার তেল পাওয়া যায়। তেলের নমুনা প্রাথমিক পরীক্ষা করে কোকেনের অস্তিত্ব পাওয়া না গেলে উন্নত ল্যাবে কেমিক্যাল পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়।

২৭ জুন শুল্ক গোয়েন্দা অধিদপ্তর জানায়, কেমিক্যাল পরীক্ষায় একটি ড্রামে তরল কোকেনের অস্তিত্ব পাওয়া গেছে।

চালানটি নগরীর খাতুনগঞ্জের খানজাহান আলী লিমিটেডের নামে বন্দরে আনা হয়েছিল। কনটেইনারটি সিলগালা করার আগে নগর গোয়েন্দা পুলিশ অভিযান চালিয়ে খানজাহান আলী লিমিটেডের প্রতিষ্ঠান প্রাইম হ্যাচারি লিমিটেডের ব্যবস্থাপক গোলাম মোস্তফা সোহেলকে গ্রেপ্তার করেছিল।

২৮ জুন নগরীর বন্দর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) ওসমান গনি বাদি হয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের ১৯ এর ১(খ) ধারায় জাহান আলী লিমিটেডের চেয়ারম্যান নূর মোহাম্মদ ও সোহেলকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেন। আদালতের নির্দেশে মামলায় চোরাচালানের ধারাও সংযুক্ত করা হয়।

কোকেন আমদানির মামলায় এ পর্যন্ত গ্রেপ্তার হওয়া ছয়জন হলেন, আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান খানজাহান আলী লিমিটেডের মালিকানাধীন প্রাইম হ্যাচারির ব্যবস্থাপক গোলাম মোস্তফা সোহেল, কসকো শিপিং লাইনের ম্যানেজার এ কে আজাদ, গার্মেন্ট পণ্য রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান মণ্ডল গ্রুপের বাণিজ্যিক নির্বাহী আতিকুর রহমান, সিকিউরিটিজ প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা মেহেদি আলম, সিএন্ডএফ কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম এবং আবাসন ব্যবসায়ী মোস্তফা কামাল।

তাদের বিভিন্ন মেয়াদে কয়েক দফা রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।