কেয়ামত পর্যন্ত কোন বন্ধুত্ব হবে না-বাবুনগরী

প্রকাশ:| শনিবার, ১২ এপ্রিল , ২০১৪ সময় ০৯:৩৬ অপরাহ্ণ

বাবুনগরীশনিবার বিকেলে রেসালত মাহফিলের শেষ দিনে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে আল্লাহর উপর আস্থা ও বিশ্বাসের মূলনীতি সংবিধানে পুর্নবহালের দাবি যারা মানবেনা তাদের সঙ্গে কেয়ামত পর্যন্ত কোন বন্ধুত্ব হবে না বলে ঘোষণা দিয়েছেন হেফাজতে ইসলামের মহাসচিব জুনায়েদ বাবুনগরী।

রেসালত মাহফিলে বাবুনগরী বলেন, আমরা সংবিধানে আল্লাহর উপর আস্থা ও বিশ্বাস পুর্নবহালের দাবি জানিয়ে আসছি। আমাদের এ দাবি যারা মানবেনা তাদের সঙ্গে কোন বন্ধুত্ব নেই। ইসলামবিদ্বেষী, খোদাবিরোধী, খোদাদ্রোহীদের বিরুদ্ধে আমৃত্যু আন্দোলন চলবে। নাস্তিকদের দোসর, দালালদের সঙ্গে আমাদের কেয়ামত পর্যন্ত কোন বন্ধুত্ব হবে না।

তিনি বলেন, আমরা ইসলামের কথা বলব, নবীর মর্যাদার কথা বলব। তাতে ইসলামপ্রিয় মানুষের ভাল লাগবে। আর ইসলামবিরোধী কারও গায়ে জ্বালা ধরলে আমাদের কিছু করার নেই।

মাহফিলের দ্বিতীয় দিনে প্রধান অতিথি হিসেবে হেফাজতে ইসলামের আমির আহমেদ শফীর বক্তব্য রাখার কথা রয়েছে।

বাবুনগরী শাহবাগের গণজাগরণ মঞ্চের সংগঠকদের নাস্তিক আখ্যা দিয়ে বলেন, শাহবাগে পরিস্কার ভাষায় বলা হয়েছে, তোমাদের ফাঁসি দেব। আল্লাহ যদি তোমাদের বাঁচাতে আসে তাকেও ফাঁসি দেব, নাউজুবিল্লাহ। এরাই তো নাস্তিক।

গণজাগরণ মঞ্চ ভেঙ্গে দেয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, শাহবাগীরা, তোমরা তওবা করে পুনরায় ইসলাম ধর্ম গ্রহণ কর। তোমরা শাহবাগ ত্যাগ করে কাকরাইলের পথ ধর।

কাদিয়ানি সম্প্রদায়কে নাস্তিকদের দালাল, অমুসলিম আখ্যা দিয়ে বাবুনগরী বলেন, কাদিয়ানিরা নবীর মর্যাদা নিয়ে ছিনিমিনি খেলছে। কাদিয়ানিদের মসজিদ মানে হচ্ছে খ্রিস্টানদের গির্জা আর হিন্দুদের মন্দির। কাদিয়ানিদের অবিলম্বে অমুসলিম ঘোষণা করা হোক। পাসপোর্ট তাদের নামের সঙ্গে মুসলিম লেখা যাবেনা। তখন তারা সংখ্যালঘু হিসেবে এদেশে থাকতে পারবে।

সংখ্যালঘু নির্যাতনের বিচার দাবি করে তিনি বলেন, একতরফা নির্বাচনের পর যশোরসহ বিভিন্ন জায়গায় হিন্দু সম্প্রদায়ের যেসব বাড়িঘরে হামলা, ভাংচুর হয়েছে, সঠিক তদন্তের মাধ্যমে হামলাকারীদের শাস্তি দিতে হবে। কিন্তু দোষ করে একজন, অভিযোগ আনা হয় আরেকজনের উপর।

তিনি বলেন, এদেশে হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টানরা থাকতে পারবে। কিন্তু কোন নাস্তিক-মুরতাদের জায়গা হবেনা।

দ্বিতীয় দিনের রেসালত মাহফিলে হেফাজতে ইসলামের নায়েবে আমির সালাহউদ্দিন নানুপুরীর সভাপতিত্বে করছেন।