কৃতী ভাষাবিজ্ঞানী ড. মনিরুজ্জামানের গবেষণা লব্ধ ‘চট্টগ্রামের উপভাষা’

প্রকাশ:| রবিবার, ১৫ সেপ্টেম্বর , ২০১৩ সময় ০৭:৪২ অপরাহ্ণ

CU বই6কৃতী ভাষাবিজ্ঞানী ড. মনিরুজ্জামানের গবেষণা লব্ধ ‘চট্টগ্রামের উপভাষা’ গ্রন্থটি সৃজনশীলতা ও মননশীলতা সংকট অতিক্রমে অগ্রণী ভূমিকা রাখবে বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক আনোয়ারুল আজিম আরিফ।

রোববার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য দপ্তরের সভা কক্ষে আয়োজিত বাংলা বিভাগের সাবেক অধ্যাপক ড. মনিরুজ্জামান রচিত ‘চট্টগ্রামের উপভাষা’-শীর্ষক গ্রন্থটির মোড়ক উম্মোচন এবং সম্মানী প্রদান অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।

উপাচার্য আনোয়ারুল আজিম আরিফ বলেন, চট্টগ্রামের ভাষার বৈশিষ্ট্য, মহত্ব, শৈলী, গঠন, কলা-কৌশল ইত্যাদি বিষয়ে ড. মনিরুজ্জামানের এ গ্রন্থটি আমাদের ভবিষ্যৎ গবেষকদের গবেষণা কাজে অনন্য ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবে।

উপাচার্য বলেন, গবেষণা ও প্রকাশনার মাধ্যমে একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি পরিস্ফুটন ঘটে। উচ্চ শিক্ষা ও গবেষণা ক্ষেত্রে শিক্ষক ও গবেষকদের নিরন্তর প্রচেষ্টায় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় এগিয়ে চলছে। তিনি ছাত্র-ছাত্রীদেরকে এ সুযোগ কাজে লাগিয়ে প্রজ্ঞাবান মানুষ হিসেবে গড়ে ওঠার লক্ষ্যে জ্ঞান সাধনায় ব্রতী হবার আহবান জানান।

ভাষা বিজ্ঞানী ড. মনিরুজ্জামান বলেন, চট্টগ্রামের ভাষা, উপভাষা রহস্য নিয়ে এই গ্রন্থটি রচনা করতে পেরে তিনি অত্যন্ত আনন্দিত ও গর্বিত । বাংলা ভাষার চট্টগ্রামী রূপটি খুবই দুরূহ একটি ভাষা-বৈচিত্র্যের উদাহরণ।

এই ভাষার ব্যবহার, পরিবর্তন ও সংরক্ষণ-প্রবণতার দিকগুলো বিশেষভাবে লক্ষ্য রেখে চট্টগ্রামের ইতিহাস-সংস্কৃতি সাধারণ মানুষের কাছে উপস্থাপন করার লক্ষ্যেই এই বইটি প্রকাশ করা হয়েছে। এছাড়া আগামী দিনে শুধুমাত্র বাংলাদেশে নয় আন্তর্জাতিকভাবেও ভাষা-গবেষণা, সাহিত্য-সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য নিয়ে যারা কাজ করবেন এই গ্রন্থটির মাধ্যমে তারা উপকৃত হবেন।

বিশ্ববিদ্যালয় গবেষণা পরিচালনা ও প্রকাশনা দপ্তরের আহবায়ক প্রফেসর ড. সৌরেন বিশ্বাসের সভাপতিত্বে এ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরী। অন্যান্যের মধ্যে সমাজ বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক হোসাইন কবির, আইন অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. আবদুল্লাহ আল ফারুক, ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. শংকর লাল সাহা, বাংলা বিভাগের অধ্যাপক শিরীন আখতার, কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ শাহাদাত হোসেনসহ বাংলা বিভাগের শিক্ষক ও ছাত্র-ছাত্রীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।