কুতুবদিয়ায় ৫০ জেলেসহ তিন ফিশিং ট্রলার নিখোঁজ,সড়ক দূর্ঘটনায় নিহত-১

প্রকাশ:| মঙ্গলবার, ৩০ মে , ২০১৭ সময় ০৯:২০ অপরাহ্ণ

লিটন কুতুবী, কুতুবদিয়া-কক্সবাজার:

কক্সবাজারের কুতুবদিয়া উপকূলে ঘূর্ণিঝড় মোরা’র আঘাতে শতাধিক ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত ও ব্যাপক এলাকা জোয়ারে প্লাবিত হয়েছে। মঙ্গলবার (৩০ মে) সকালে বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় মোরা কুতুবদিয়া উপকূল দিয়ে বয়ে গেছে। ঐ সময়ে আলী আকবর ডেইল ইউনিয়নের হায়দার বাপের পাড়া এলাকায় সড়ক দূর্ঘটনায় শারমিন আক্তার (৬) নামের এক শিশু নিহত হয়েছে। আবহাওয়া অফিস সূত্রে প্রকাশ, বাতাসের গতিবেগ ছিল ৮৯ কিলোমিটার হতে ১১৭কিলোমিটার। ঘূর্ণিঝড় মোরা কুতুবদিয়া উপকূল অতিক্রম করাকালে সাগরে ভাটা ছিল বলে জোয়ারে ব্যাপক ক্ষতি না হলেও উত্তর ধুরুং, বড়ঘোপ,আলী আকবর ডেইল ইউনিয়ন এলাকার নি¤œাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে বলে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এটিএম নুরুল বশর চৌধূরী জানান। ঘূর্ণিঝড় মোরা’র সর্তক সংকেত কুতুবদিয়া উপকূলে মাইকিং করে জানানো হয়েছে এবং রেড় ক্রিসেন্ট (সিপিপি) কর্মীদের মাধ্যমে জনগনকে নিকটবর্তী আশ্রয় কেন্দ্রে নিয়ে আসা হয়েছে। আশ্রয় কেন্দ্রে আশ্রয় নেয়া ব্যাক্তিদের ইফতার ও চেহরী জন্য উপজেলা প্রশাসন ব্যবস্থাগ্রহণ করেন বলে ইউএনও সুজন চৌধূরী এ প্রতিনিধিকে নিশ্চিত করেন। ঘূর্ণিঝড় মোরা’র আঘাতে কুতুবদিয়া উপকূলে শতাধিক কাঁচা ঘরবাড়ি ক্ষতি হয়েছে। এদিকে কুতুবদিয়া ফিশিং ট্রলার মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক জয়নাল আবেদিন কোম্পানী জানান, গত শনিবার দুপুরে উপকূল থেকে সাগরে মাছ ধরতে যাওয়া শতাধিক ফিশিং ট্রলার উপকূলে ফিরে এলেও ৫০ জেলেসহ তিনটি ফিশিং ট্রলার এখনো উপকূলে ফিরে আসেনি। কুতুবদিয়া দ্বীপের পশ্চিম উপকূলে উপকূলীয় বনবিভাগের সৃজিত ঝাউবাগানের দুই শতাধিক ঝাউগাছ ভেঙে পড়েছে বলে বন কর্মকর্তা অসোক কুমার রায় নিশ্চিত করেন। এ রির্পোট লিখা পর্যন্ত উপজেলা প্রশাসনের তথ্য মতে গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যা নাগাত আশ্রয় কেন্দ্রে আশ্রয় নেয়া লোকজন নিজ নিজ গৃহে চলে যায় বলে প্রশাসন নিশ্চিত করেন।


আরোও সংবাদ