কুতুপালং রোহিঙ্গা শিবিরে মন্ত্রী পরিষদ সচিব

প্রকাশ:| শুক্রবার, ২৩ ডিসেম্বর , ২০১৬ সময় ১১:৪৮ অপরাহ্ণ

কায়সার হামিদ মানিক, উখিয়া
কক্সবাজারের উখিয়ার রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবির পরিদর্শন করেছেন মন্ত্রীপরিষদ সচিব শফিউল আলম। শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৩ টার দিকে কুতুপালং রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবির ও বস্তি এলাকা পরিদর্শণ শেষে তিনি রোহিঙ্গাদের নির্যাতনের কাহিনী নিজ মূখে শ্রবনের পর স্থানীয় গ্রামবাসীরা সহযোগীতায় এগিয়ে আসছেন কিনা রোহিঙ্গাদের নিকট জিজ্ঞাসা করেন। এছাড়াও মন্ত্রীপরিষদ সচিব শফিউল আলম মিয়ানমার থেকে নির্যাতনের মূখে পালিয়ে এসে রোহিঙ্গা শিবিরে আশ্রয় নেওয়া ঝুঁপড়ি বেঁেধ কিভাবে বসবাস করছেন তা মন্ত্রীপরিষদ সচিব স্বচক্ষে দেখেন। এ সময় কাদের অর্থায়নে রোহিঙ্গাদের এসব ঝুপড়ি নির্মাণ করে দিয়েছে তাও জানতে চান সচিব । ছোট্ট পরিসরে নির্মিত এক ঝুঁপড়িতে কয় পরিবার থাকা হয় জানতে চাইলে রোহিঙ্গারা বলেন, একটি ঝুঁপড়িতে ছেলে মেয়ে স্ত্রীসহ ১০/১২ জন গাদাগাদি থাকতে হয়। এ সময় মন্ত্রী পরিষদ সচিব শফিউল আলম বলেন, যেভাবে আছেন সেভাবে ভাল আছেন। এসময় মন্ত্রী পরিষদ সচিব তাদের উদ্দেশ্যে বলেন, বনভূমির জায়গায় থাকতে হলে তাদেরকে অনুনয় বিনয় করে অনুমতি নিতে হবে। তাছাড়া করার কিছুই নেই। উপরোন্তু যার যা সম্ভব তারা সাহায্য করেছে। মিয়ানমারের বর্মী সেনা, পুলিশ ও রাখাইন যুবকেরা তাদের ঘরবাড়িতে লুটপাট চালিয়ে যুবতী মেয়েদের ধর্ষণ শেষে আগুন দিয়ে বাড়িঘর জ্বালিয়ে দেওয়ার কারণে নিরাশ্রয় হয়ে তারা এখানে পালিয়ে আসতে বাধ্য হয়েছে। এর আগে মন্ত্রী পরিষদ সচিব কুতুপালং ক্যাম্প ইনচার্জ মিলনায়তনে এনজিও প্রতিনিধি, সরকারি -বেসরকারি কর্মকর্তা, উপজেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনের সাথে বৈঠক শেষে ক্যাম্প ইনচার্জ ভিডিও চিত্র প্রদর্শনের মাধ্যমে কুতুপালং নতুন টালের রোহিঙ্গা বস্তি এবং নিবন্ধিত রোহিঙ্গা ক্যাম্পের সার্বিক বাস্তব চিত্র তুলে ধরেন।
এনজিও নেতৃবৃন্দরা সচিবকে জানান, ভিডিও চিত্রের মাধ্যমে তাদের ধারাবাহিক কার্যক্রম মন্ত্রী পরিষদ সচিবকে অবগত করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন, কক্সবাজার জেলা প্রশাসন মোঃ আলী হোসেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক কাজী আব্দুর রহমান, রোহিঙ্গা ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার এস এম রেজাওয়ান হোছাইন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ মাঈন উদ্দিন, সহকারি কমিশনার (ভূমি) নুরুদ্দিন মোহাম্মদ শিবলী নোমান, উখিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আবুল খায়ের।