কালভার্ট এর কাজে প্রতিদিন ৪ কিমি জুড়ে তীব্র যানজট

প্রকাশ:| শুক্রবার, ১৯ জুলাই , ২০১৩ সময় ০২:৫৬ অপরাহ্ণ

হাটহাজারী সংবাদদাতা,নিউজচিটাগাং২৪.কম।। চট্টগ্রাম-খাগড়াছড়ি মহাসড়কে হাটহাজারী মাদ্রসা সংলগ্ন সড়কের ওপর সওজের হাট বাজার সেতুjpg(সড়ক ও জনপদ বিভাগ) কালভার্ট নির্মাণ কাজে ধীরগতি, বিকল্প সড়ক নির্মাণ না করা ও ট্রাফিক পুলিশের সুষ্ঠু তদারকির অভাবে সৃষ্ট তীব্র যানজটে পড়ে অতিষ্ঠ জনসাধারণ। হাটহাজারী, নাজিরহাট, ফটিকছড়ি, রাউজান, রাঙ্গামাটি ও খাগড়াছড়িসহ প্রায় ৩০টি রুটের হাজার হাজার যাত্রীসহ চাকরিজীবী, শিক্ষার্থী, মুমূর্ষু রোগী ও পর্যটককে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করে বিরতিহীন সময় কাটাতে হচ্ছে। গতকাল সোমবার নিমার্ণাধীণ কালভার্টের উভয় পার্শ্বে প্রায় ৪ কিরোমিটা যানজটে পড়তে হয়েছে সাধারণ যাত্রী সাধারণকে।
সরেজমিন পরিদর্শনে দেখা গেছে, হাটহাজারী মাদ্রসার সংলগ্ন চট্টগ্রাম-খাগড়াছড়ি মহাসড়কে সওজ বিভাগের নির্মাণাধীন কালভার্ট কাজকে কেন্দ্র করে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে। বিকল্প সড়ক নির্মাণ না করার কারণে এই অবস্থার সৃষ্টি হচ্ছে বলে জানিয়েছে স্থানীয়রা। আর এই যানজটে পড়ে চাকরিজীবী শিক্ষার্থী, শিক্ষক-শিক্ষিকা, পর্যটক, সরকারি-বেসরকারি ও যাত্রী সাধারণকে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। ফলে কর্মব্যস্ত মানুষ তাদের অত্যন্ত মূল্যবান সময় হারাচ্ছেন। যা এই রুটে চলাচলকারী যাত্রী সাধারণের জন্য এক দুঃসহ সমস্যা। প্রতিদিন সেতুটির উভয় পাশে প্রায় ৩-৪ কিলোমিটার পর্যন্ত শত শত যানবাহন আটকে পড়ে থাকে। এ সময় রাস্তার পাশে বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষের স্বাভাবিক কার্যক্রম বিঘিœত হচ্ছে। আবার অনেক সময় মুমূর্ষু রোগীকে জরুরি ভিক্তিতে হাসপাতালে নেয়ার সময় এই যানজটে পড়ে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। নির্মাণাধীন কালভার্টটির কোন পাশে যানবাহনের জন্য বিকল্প সড়ক না করার কারণে যানজট দীর্ঘ হচ্ছে বলে যাত্রীরা মনে করেন।
এছাড়া পৌরসভার আলমপুর গ্রামের বাসিন্দা আবুল ফারাহ চৌধুরী ও মিরের খিল গ্রামের বাসিন্দা মীর মো: হারুণ এই আলোকিত বাংলাদেশকে জানান, সেতুটি নির্মাণ কাজ শুরুর আগে আমরা মিরের হাট এলাকা থেকে ১০-২০ মিনিটে বাজারে পৌঁছতে পারতাম। কিন্তু এখন যানজটে পড়লে দীর্ঘ এক ঘণ্টা পরও বাজারে পৌঁছতে পারি না।
কবে নাগাদ সেতুটির নির্মাণ কাজ শেষ হবে হাটহাজারী সড়ক ও জনপদ উন্নয়ন অধিদপ্তর এর সহকারী প্রকৌশলী মাহাবুবুর রহমান কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, সেতুটির নির্মাণ কাজ আগামী দুই এক দিনের মধ্যে এই কালভার্টে নিমার্ণ কাজ শেষ হবে। তবে নিমার্ণ কাজের পরে আরো ২৮ দিন পর তা যান চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হবে।


আরোও সংবাদ