কার্বনমুক্ত ট্রান্স আটলান্টিক ফ্লাইট পরিচালনার চিন্তা

প্রকাশ:| রবিবার, ১৩ মার্চ , ২০১৬ সময় ১০:০৯ অপরাহ্ণ

চার্লেস লিন্ডবার্গের উদ্যোগে একটি ফ্রেঞ্চ গবেষণা প্রতিষ্ঠান এ বছরের শেষের দিকে প্রথম কার্বনমুক্ত ট্রান্স আটলান্টিক ফ্লাইট পরিচালনার চিন্তা করছে। ওশান ভাইটালের গবেষণাগারে তৈরি ইরাওয়েল নামের বিমানটি জুন মাসে নিউ ইয়র্ক থেকে প্যারিসের উদ্দেশ্যে প্রথম যাত্রা শুরু করবে।
কার্বনমুক্ত ট্রান্স আটলান্টিক ফ্লাইট পরিচালনার চিন্তা
প্রতিষ্ঠানটি দাবি করছে, বিমানটি উড্ডয়নকালে শুন্য কার্বন নির্গমন উৎপাদন করবে। যদি সফল হয়, পরিবেশ বান্ধব বিমান হিসেবে চলাচলে দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব ফেলবে বিমানটি।

বিমানটি পরিচালনার জন্য বৈমানিক ঠিক হয়ে গেছে। রাফাল দাইনেলি নামের একজন বৈমানিক বিমানটি পরিচালনা করবেন। ইরাওয়েলের ইলেকট্রিক ইঞ্জিন পরিচালিত হবে সোলার প্যানেল দিয়ে। বিমানের পাখা গুলো পুরোপুরি সোলার প্যানেল দিয়ে তৈরি। যখন পর্যাপ্ত সূর্যের আলো থাকবে না, সেক্ষেত্রে জৈব জ্বালানি চালু হবে। এই মিশ্রণে পরিবেশের কোন ক্ষতি হবে না। তবে গ্রিন হাউজ গ্যাস কতটা উৎপাদিত হবে তার উপর নির্ভর করে।

বেশিরভাগ জৈব জ্বালানি গুলো শুন্য কার্বনের হয় না। বিমানটিতে দুটি লিথিয়াম ব্যাটারি ব্যবহার করা হয়েছে যা বিমানকে মাটি থেকে আকাশে ওঠতে এবং নামতে সহায়তা করবে।

এই বিমানটি ২০০৯ সালে বানানোর পরিকল্পনা করা হয়। বিমানের জ্বালানি তৈরি করতে সময় লাগে ২ বছর। বিমানটি যৌগিক পদার্থ দিয়ে তৈরি করা হয়েছে যাতে হালকা ওজনের হয়। ইরাওয়েল ২৫ শতাংশ সোলার শক্তি, ৫৫ শতাংশ জৈব জ্বালানি এবং ২০ শতাংশ বিশুদ্ধ গ্লাইডিং দিয়ে পরিচালিত হবে।

৬০ ঘন্টা পর্যন্ত বিমানটি এক নাগারে চলতে পারবে। যা অন্যান্য বানিজ্যিক বিমানের ১০ গুণ।

সাধারণ বিমানে ১১ শতাংশ কার্বন নির্গমন হয় চলাচলে। যা পুরো পৃথিবীর কার্বন নির্গমনের ২ শতাংশ। এই হার দিন দিন বেড়েই চলছে।


আরোও সংবাদ