কাপ্তাই চট্টগ্রাম মহাসড়কের ব্যাপক অব্যবস্থাপনা

mirza imtiaz প্রকাশ:| মঙ্গলবার, ৪ সেপ্টেম্বর , ২০১৮ সময় ১২:০১ অপরাহ্ণ

কাপ্তাই চট্টগ্রাম মহাসড়কের ৪৯ কিলোমিটার মহাসড়ক জুড়ে চলছে ব্যাপক অব্যবস্থাপনা। সড়কের প্রায় পুরোটাই অবৈধ দখলের আওতায় চলে গেছে। সড়কের দুইপাশে অসংখ্য অবৈধ দোকানপাট। বিভিন্ন স্থানে গড়ে উঠছে সিএনজি অটো রিঙা ষ্ট্যান্ড। সড়কের স্থানে স্থানে ঘন্টার পর ঘন্টা বাস, ট্রাক, পিকআপ, মাইক্রো, সিএনজি রিক্সা, অটো রিঙা, রিক্সা ভ্যান ইত্যাদি বিভিন্ন প্রকার যান বাহান দাঁড়িয়ে থাকে। সড়কের কোথাও নিরাপত্তা নেই। সড়কটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হলেও এই সড়কটি কারো নজরদারিতে রয়েছে বলে দৃশ্যমান হয়না।

সরেজমিন পরিদর্শনে দেখা গেছে কাপ্তাই চট্টগ্রাম মহাসড়কের লিচুবাগান থেকে শুরু হরে কাপ্তাই রাস্তার মাথা পর্যন্ত ৪৯ কিলোমিটার পথ জুড়েই অব্যবস্থাপনা ও অনিয়ম চলছে। যার যেখানে ইচ্ছা দোকান তুলছে, গাড়ি পার্কিং করছে। কয়েকটি স্থানে দেখা গেছে একেবারে রাস্তার উপর চা দোকান বসানো হয়েছে। এসব চা দোকানে নিম্ন আয়ের মানুষ সকাল বিকাল বসে আড্ডায় মেতে থাকেন। আর এরই মাঝে সড়কের বিভিন্ন স্থানে অস্থায়ী কাঁচা বাজার বসানো হচ্ছে। অস্থায়ী হলেও প্রায় প্রতিদিন সড়কের পাশে সকাল বিকাল এসব কাঁচা বাজার বসানো হয়।কাপ্তাই চট্টগ্রাম মহাসড়কের লিচুবাগান, মরিয়মনগর, মরিয়মনগর চৌমুহনী, রওয়াজার হাট, ইছাখালী, গোডাউন, নোয়াপাড়া, নোয়াপাড়া পথের হাট, বিআইটি, পোমরা বাজার, শান্তিরহাট, রাঙ্গুনিয়া কলেজ গেইটসহ বিভিন্ন স্থান পরিদর্শন করে অরাজকতা ও নৈরাজ্য চোখে পড়েছে। কাপ্তাই মানবাধিকার কমিশনের সভাপতি খোরশেদুল আলম কাদেরী বলেন, দুই লেনের গুরুত্বপূর্ণ এই মহাসড়কের প্রস্থ্য ৪০ ফুট হলেও কোথাও কোথাও প্রস্থ ১৫ ফুটেরও কম রয়েছে। সড়কের দুই পাশে অবৈধ দখল, অবৈধ গাড়ি পার্কিং ইত্যাদি কারণে রাস্তা সঙ্কুচিত হয়ে গেছে। সড়ক ও জনপথ বিভাগের উদ্যোগে সড়কের দুই পাশে পানি নিষ্কাশনের জন্য পাকা ড্রেন নির্মাণ করে দিলেও বর্তমানে কোথাও এই ড্রেন চোখে পড়বেনা। ড্রেনগুলো মাটি দিয়ে ভরাট করে যে যার ইচ্ছামত ব্যবহার করছেন। কাপ্তাই–ঢাকা আন্তঃনগর শ্যামলী বাস পরিবহনের চালক শামছুল আলম বলেন, কাপ্তাই থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত সড়কের কোথাও টানা ২ মিনিট বাস চালানোর সুযোগ থাকেনা। অনেক স্থানে সড়ক সঙ্কুচিত। পাশাপাশি সড়ক জুড়ে অসংখ্য অবৈধ সিএনজি অটো রিক্সার দাপট। এসব অটো রিক্সা কোন নিয়ম কানুনের ধার ধারেনা। সামান্য জায়গা পেলেই গাড়ি ঢুকিয়ে দিয়ে রাস্তায় জ্যাম তৈরি করে। এমন অবস্থায় চরম ঝুঁকি নিয়ে গাড়ি চালাতে হচ্ছে বলেও তিনি জানান। এ ব্যাপারে প্রশাসনিক কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য তিনি অনুরোধ জানান।


আরোও সংবাদ