কাপ্তাই ও লংগদুতে সন্ত্রাসীদের গুলিতে ২ জন নিহত, গুলিবিদ্ধ-১

প্রকাশ:| রবিবার, ১৪ জুলাই , ২০১৩ সময় ০৭:৩৩ অপরাহ্ণ

রাঙ্গামাটি কাপ্তাই ও লংগদুতে পৃথক ঘটনায় দুইজন নিহত ও এক জন গুলিবিদ্ধ হয়েছে। gole 2অভ্যন্তরিন কোন্দলে এই হত্যার ঘটনা ঘটেছে বলে পুলিশের ধারণা। রবিবার সকালে পৃথক এ দুটি ঘটনা ঘটে ।
রাঙ্গামাটির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হাবিবুর রহমান জানান, কাপ্তাই চিৎমরম ইউনিয়নের আগা পাড়ায় সন্ত্রাসীদের গুলিতে এক পাহাড়ী যুবক নিহত হয়। নিহতের নাম থোয়াই চাই মারমা (লালপোয়া) (৪০)।
নিহতদের নাম থোয়াইচা চিং মারমা। অপরদিকে রবিবার সকালে ১০টায় লংগদু উপজেলার আঠারকছড়া ইউনিয়নের উল্টাছড়ি গ্রামে একদল সন্ত্রাসী অতর্কিত গুলি চালিয়ে এনজয় চাকমা (২৮) নামে অপর এক ব্যক্তিকে হত্যা করে। এসময় গুলিবিদ্ধ হয় তার শিশুপুত্র প্রীতিময় চাকমা (১০)। নিহত ব্যক্তি জনসংহতি সমিতির সংস্কার পন্থী কর্মী বলে জানা গেছে।
লংগদুর হত্যাকান্ড সম্পর্কে থানা পুলিশ ও এলাকার জনপ্রতিনিধি সূত্রে জানাগেছে, উপজেলার উল্টাছড়ি এলাকায় ভোর ৫টার দিকে নিহত এনজয় চাকামার বাড়ীতে ৫/৬ জন সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা অতর্কিতভাবে প্রবেশ করে এনজয় চাকমাকে ল করে ব্রাশ ফায়ার করে চলে যায়। এতে এনজয় চাকমা ঘটনাস্থলেই নিহত হয়। এসময় তার দশবছরের পুত্র প্রীতিময় চাকমা পায়ে গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হয়েছে। নিহত এনজয় চাকমা জনসংহতি সমিতির (এমএন লারমা) গ্রুপের কর্মী ।
লংগদু থানার ওসি রেজাউল হক জানান, ‘‘নিহতের লাশ উদ্ধারের জন্য এস আই অঞ্জনের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে গেছে’’।
কাপ্তাই হত্যাকান্ড সম্পকে চিৎমরম ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান থোয়াই চিং মারমা জানান, সকাল ১০ টায় থোয়াই চাই মারমা (লালপোয়া)। নিহত থোয়াই চাই মারমা কচু ক্ষেতে কাজ করে ফেরার পথে সন্ত্রাসীরা তাকে গুলি করে পালিয়ে যায়। থোয়াই চাই মারমা এক সময় পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির সক্রিয় সদস্য ছিলো। পুলিশ ঘটনাস্থলে লাশ উদ্ধারের জন্য গেছে বলে তিনি জানান।
এদিকে জনসংহতি সমিতির একটি প থেকে এই হত্যাকান্ডের জন্য জনসংহতি সমিতির (সন্তু লারমা’র সশস্ত্র গ্রুপকে দায়ী করা হলেও জনসংহতি সমিতি সন্তু লারমা পরে রাঙ্গামাটি জেলার সহতথ্য ও প্রচার সম্পাদক সজীব চাকমা এঘটনার জন্য তাদের দল কোন ভাবে দায়ী নয় দাবি করে এটা তাদের অভ্যন্তরীন কোন্দল বলে জানিয়েছেন।


আরোও সংবাদ