কাপ্তাইয়ে ভেষজ উদ্ভিদের চাষাবাদ ও বাজারজাতকরন বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত

প্রকাশ:| শনিবার, ২৩ নভেম্বর , ২০১৩ সময় ০৯:১৯ অপরাহ্ণ

নজরুল ইসলাম লাভলু, কাপ্তাইKormoshala
কৃষি বনায়ন পদ্ধতিতে ভেষজ উদ্ভিদের চাষাবাদা ও বাজারজাতকরন বিষয়ক দিনব্যাপী কর্মশালা শনিবার কাপ্তাই উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। এসপিজিআর কো-অর্ডিনেটেড প্রকল্পের আওতায় বাংলাদেশ বন গবেষণা ইনস্টিটিউটের উদ্দ্যোগে অনুষ্ঠিত কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন, ইনস্টিটিউটের মুখ্য গবেষণা কর্মকর্তা ড. শাহীন আক্তার। প্রধান অতিথি ছিলেন, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অংসুইছাইন চৌধুরী। বিশেষ অতিথি ছিলেন, ইউএনও এসএম নজরুল ইসলাম, ইনস্টিটিউটের কর্মকর্তা ড. খুরশিদা আক্তার, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান দিলদার হোসেন, নুর নাহার বেগম। প্রকল্প পরিচিতি ও পার্বত্য এলাকায় ভেষজ উদ্ভিদের চাষাবাদের সম্ভাবনা, ভেষজ উদ্ভিদ উৎপাদন ও রোগ-বালাই, রাসায়নিক উপাদান ও ঔষধি গুণাগুণ, ভেষজ উদ্ভিদের চাহিদা ও বাজারজাতকরনের উপর বক্তব্য রাখেন, প্রকল্পের সিনিয়র রিসার্চ অফিসার সাঈদা রায়হানা মেরী, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কামরুজ্জামান, প্রকল্পের সান্টিফিক অফিসার এসএম রাকিবুল জুবায়ের, লায়লা আবেদা আক্তার, রাইখালী কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. এ,এস,এম হারুন অর রশিদ, একমি ফার্মাসিউটিক্যালস্ এর প্রতিনিধি মুসাদ্দিক হেলালী, ওয়া¹া ইউপি চেয়ারম্যান অংহ্লা চিংমারমা, উপজেলা তথ্য কর্মকর্তা মোঃ হারুন, পাল্পউড বাগান বিভাগের সদর রেঞ্জ কর্মকর্তা রফিক হোসেন, প্রমূখ। কর্মশালায় উপজেলার বিভিন্ন বিভাগীয় কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, সাংবাদিক ছাড়াও রাঙ্গামাটি খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান জেলার ৩০ জন প্রান্তিক চাষী অংশগ্রহণ করে। প্রান্তিক চাষীরা ভেষজ উদ্ভিদের বাজারজাতকরনের উপর নিশ্চয়তা চেয়ে বক্তব্য রাখেন। প্রকল্পের কর্মকর্তারা তাদের বক্তব্যে বলেন, আপনারা বেশি বেশি করে ভেষজ উদ্ভিদ চাষ করুন। আমরা উৎপাদিত পণ্য বিক্রির নিশ্চয়তা দেব। ইতিমধ্যে উৎপাদিত ভেষজ পণ্য ক্রয়ে জেএসন, স্কয়ার ও একমি ফার্মাসিউটিক্যালস্ আগ্রহ প্রকাশ করেছে বলে তাদের বক্তব্যে উল্লেখ করেন। প্রসঙ্গতঃ প্রতি বছর দেশের ঔষধ কোম্পানীগুলো বিভিন্ন ধরনের ভেষজ পণ্য বিদেশ থেকে আমদানী করে থাকে। এ খাতে প্রতিবছর তাদের প্রায় ৫০০ কোটি টাকা ব্যয় হচ্ছে। এসব উদ্ভিদ দেশে উৎপাদিত হলে ঔষধ শিল্পের আমদানী নির্ভরতা কমবে বলে বক্তারা বলেন।