কাইছার ও নবী হোসেনের বাড়িতে শোকের মাতম

প্রকাশ:| মঙ্গলবার, ৪ এপ্রিল , ২০১৭ সময় ০৭:৪৩ অপরাহ্ণ

পেকুয়া প্রতিনিধি
পেকুয়া সদর ইউনিয়নের মিয়া পাড়া এলাকার নাছির উদ্দিনের পুত্র মো: কাইছার। ১বছর বয়সি এক সন্তানের জনক। বিয়ে করেছেন চকরিয়া উপজেলার বানিয়ারছড়া এলাকা থেকে। বেশ কয়েক বছর কাটিয়েছেন প্রবাস জীবনে। ভাগ্যের চাকা পরির্বতন করতে না পেরে আবারো চলে আসেন দেশে। কাজ শুরু করেন মেশিন দিয়ে ইটভাঙ্গার শ্রমিক হিসাবে। এলাকায় শান্ত স্বভাবের ছেলে হিসাবে পরিচিত এ ছেলেটির জীবন কেটে নিল ঘাতক ট্রাক। অন্ধকারচ্ছন্ন হয়ে পড়লো তার পিতা মাতা ও স্ত্রী সন্তানের জীবন। ৪সন্তানের এক ছেলেকে হারিয়ে পিতা মূমর্ষ মার বিলাপ আর স্ত্রী তাসমিন নির্বাক। সন্তান তারিন জানেনা তার পিতা আর ফিরে আসবেনা। বিকাল ৫টায় জানাযা সম্পন্ন হওয়ার আগে বাড়িতে গিয়ে দেখা গেছে, পরিবারের সবার কান্নায় পরিবেশ ভারি হয়ে ওঠেছে। এছাড়াও তাকে দেখতে আসা আত্বীয় স্বজন ও পাড়ালীয়াদেরও চোঁখে জল। কিছুতেই তারা বিশ্বাস করছেনা কাইছার তাদের মাঝে নাই।
এদিকে একই দূর্ঘটনায় নিহত নবী হোসেন ২ ছেলে ২মেয়ে সন্তানের জনক। তার বড় ছেলেটি ১৬ বছরের কাছাকাছি আর এক মেয়ের বিয়ে দিয়েছেন। স্ত্রী সেতারা বেগমকে নিয়ে তার আর্থিক সংকটের পরিবার। এক মাত্র উপার্জন ব্যক্তি ঘাতক ট্রাকের ধাক্কায় নিহত হয়ায় পরিবারে নেমে এসেছে চরম দূর্বিসহ জীবন। আসর নামাজের আগে পর তার নামাজে জানাযা সম্পন হয়। এর আগে তার পরিবারে গিয়ে দেখা গেছে, দুনিয়ার সমস্ত অন্ধকার তার পরিবারে। কান্নার সাথে রয়েছে ভবিষ্যতে ছেলে মেয়েদের আর্থিক বিষয় ও সংসারের উপার্জন। এলাকাবাসীও জানিয়েছেন একমাত্র উপার্জন ব্যক্তি নিহত হওয়ায় তাদের সংসার চালাতে অনেক কষ্ট হবে।
উল্লেখ্য: ৪মার্চ মঙ্গলবার পিকআপ নিয়ে সকালে পেকুয়া হয়ে ঈদগাঁও যাচ্ছিলেন নিহত কাইছার ও নবী হোসেনসহ ২০জন ইটভাঙ্গার শ্রমিক। মহাসড়কে বানিয়ারছড়া যেতে না যেতেই ইটবাহি একটি ট্রাক ওই গাড়িটিকে ধাক্কা দিলে খাদে পড়ে যায়। এ ঘটনায় তারা নিহত বাকি ১৮জন গুরুতর আহত হয়।


আরোও সংবাদ