কলা অধ্যয়নে প্রযুক্তির ভূমিকা কি? উত্তর খুঁজতে সেমিনার

প্রকাশ:| বুধবার, ৪ অক্টোবর , ২০১৭ সময় ০৭:৩৬ অপরাহ্ণ

চিটাগং ইন্ডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটিতে ‘টিচিং অব আর্টস অ্যান্ড দ্য হিউম্যানিটিস ইন আওয়ার ইউনিভার্সিটিস: গুটেনবার্গারস, মিলেনিয়াস অ্যান্ড ডিজিটাল হিউম্যানিটিস’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (০৪ অক্টোবর) দুপুরে সিআইইউর মিলনায়তনে এ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মাহফুজুল হক চৌধুরীর সভাপতিত্বে এতে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সিআইইউর ইংরেজি সাহিত্যের অধ্যাপক কাজী মোস্তাইন বিল্লাহ।

সেমিনারে বক্তারা বলেন, এক সময় মানুষ বই খুলে পড়ত। কিন্তু সময় বদলিয়েছে। ইন্টারনেট, সামাজিক গণমাধ্যম বা ব্লগের এই যুগে মানুষের পড়ার অভ্যাসেও এসেছে পরিবর্তন। মানুষ এখন বই পড়ার চেয়ে ঢের সময় নেটে কাটাতেই ভালোবাসে। প্রযুক্তির প্রসারের সঙ্গে সঙ্গে পরিবর্তন এসেছে শিক্ষার্থীদের পড়াশুনার ঢংয়েও। বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়েও সুস্পষ্ট এই পরিবর্তন।

পড়াশুনাঃ বিশেষ করে কলা বা মানবিক বিদ্যার বিষয়গুলো অধ্যয়নের ক্ষেত্রে প্রযুক্তির ভূমিকা কি হবে? বা বই হতে মুখ ফিরিয়ে নেওয়া আধুনিক শিক্ষার্থীদের বইয়ে মনোযোগ ফিরিয়ে আনা যায় কিভাবে? এসব বিষয়ের উত্তর খুঁজতেই বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগ এ সেমিনারের আয়োজন করে বলে জানানো হয়।

মোস্তাইন বিল্লাহ বলেন, প্রযুক্তির এই যুগে ডিজিটাল উপকরণকে অস্বীকার করার কোন উপায় নেই। বরং এই উপকরণগুলোকে উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে কীভাবে সৃষ্টিশীল পদ্ধতিতে ব্যবহার করা যায় তা নিয়ে ভাবতে হবে। কলা এবং মানবিক অনুষদের শিক্ষকদের ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহারের ক্ষেত্রে নতুন নতুন পদ্ধতি বের করে আনতে হবে।

একাডেমিক কাজে প্রযুক্তিগুলোকে কাজে লাগিয়ে কলা ও মানবিক বিষয়গুলো শিক্ষা প্রদানের ক্ষেত্রে প্রযুক্তির সম্ভাবনাকে ব্যবহার উপযোগী করতে হবে। না হলে পুরানো প্রজম্ম (গুটেনবার্গার) এবং প্রযুক্তিতে অভ্যস্ত নতুন প্রজন্মের (মিলেনিয়াস) মধ্যে বিরাট ফারাক তৈরি হবে।

সিআইইউর উপাচার্য অধ্যাপক ড. মাহফুজুল হক চৌধুরী বলেন, শিক্ষার্থীদের পাঠাভ্যাস গড়ে তুলতে হবে, সৃষ্টিশীল হতে হবে, এক্ষেত্রে প্রযুক্তিকে অবশ্যই ব্যবহার করতে হবে, তবে খেয়াল রাখতে হবে প্রযুক্তি যেন সৃষ্টিশীলতাকে ধ্বংস না করে।

শিক্ষার্থীদের ‘ক্রিটিক্যাল মাইন্ড’ গড়ে তুলতে হলে অন্যের উপর নির্ভর না করে নিজে থেকেই


আরোও সংবাদ