কর্ণফুলীর ১২ ঘাটে পণ্য খালাস বন্ধ

প্রকাশ:| রবিবার, ৩০ নভেম্বর , ২০১৪ সময় ০৮:১৮ অপরাহ্ণ

ctg_laberপঞ্চাশ শতাংশ মজুরি বৃদ্ধিসহ নয় দফা দাবিতে ঘাট-গুদাম শ্রমিকদের একাংশের কর্মবিরতির কারণে কর্ণফুলী নদীর ১২ ঘাটে পণ্য খালাস বন্ধ রয়েছে। তবে চারটি ঘাটে কাজ চলছে বলে জানা গেছে।

চুক্তি অনুযায়ী মজুরি বৃদ্ধি না করায় ঘাট-গুদাম শ্রমিক সংগ্রাম ইউনিয়নের ডাকে রোববার সকাল থেকে কর্মবিরতি শুরু করে শ্রমিকরা। ফলে কর্ণফুলী নদীতে আটকা পড়েছে অর্ধশতাধিক লাইটার জাহাজ। এসব জাহাজে ৮৫ হাজার টন গম, মটর ডাল ও সার রয়েছে।

ঘাট গুদাম শ্রমিক সংগ্রাম ইউনিয়নের আহ্বায়ক মো. ইদরিস আলী বলেন, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে চুক্তি অনুযায়ী এ বছর জানুয়ারিতে ২০ শতাংশ মজুরি বাড়ানোর কথা। কিন্তু গত ১০ মাসেও তা কার্যকর করা হয়নি। তাই এখন ৫০ শতাংশ মজুরি বৃদ্ধিসহ নয় দফা দাবিতে এ কর্মবিরতি শুরু করেছি। আমাদের দাবি না মানা পর্যন্ত কর্মবিরতি চালিয়ে যাবো।

তবে যারা কর্মবিরতি পালন করছে তারা মূল শ্রমিক সংগঠনের সঙ্গে নেই বলে দাবি করেছেন ঘাট-গুদাম শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি আব্দুল খালেক। তিনি বাংলানিউজকে বলেন, আমাদের সংগঠনের অন্তর্ভূক্ত নয় এমন কিছু শ্রমিক কাজ বন্ধ রেখেছে। কয়েকটি ঘাটে কাজ বন্ধ থাকলেও অধিকাংশ ঘাটে শ্রমিকরা কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন বলেও দাবি করেছেন তিনি।

কর্মবিরতিতে যাওয়া শ্রমিকদের বহিরাগত আখ্যা দিয়ে ঘাট ঠিকাদার সমিতির সভাপতি মো. আবুল হাশেম বলেন, ঘাট-গুদাম শ্রমিকদের মূল সংগঠনের সঙ্গে আমরা আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছি। একাংশ কর্মবিরতি ডাকলেও পাঁচটি ঘাটে পণ্য খালাস চলছে।

চট্টগ্রাম বন্দরের বহিনোর্ঙরে বড় জাহাজ থেকে পণ্য নিয়ে ছোট জাহাজে বোঝাই করা হয়। এরপর এসব ছোট জাহাজ কর্ণফুলী নদীতে ১৬টি ঘাটে পণ্য খালাস করে। ঘাট শ্রমিকরা জাহাজ থেকে পণ্য নিয়ে ট্রাকে বা গুদামে বোঝাই করে।