কম্পিউটারের ঠাট্টার ভাইরাস আজ ‌সামরিক অস্ত্র…

প্রকাশ:| মঙ্গলবার, ২৯ জুলাই , ২০১৪ সময় ১১:১৩ অপরাহ্ণ

দিনে দিনে কম সময় গড়ালো না কম্পিউটার ভাইরাসের। কম্পিউটিংয়ের গোড়ার দিনগুলোতে স্রেফ ঠাট্টাচ্ছলে এই ভাইরাসের ব্যবহার শুরু হলেও আধুনিক সময়ে তা অত্যাধুনিক সামরিক অস্ত্র হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

কালের বিবর্তনে ভাইরাসের রূপ ও শক্তি বেড়েছে। ৯০’র দশকে ভাইরাসের যে বিস্তার, ম্যালওয়্যারের সেই উদ্বেগময় দিনগুলোও আজ ইতিহাস। এরপরেও এসেছে নানা ধরনের ভাইরাস। শিল্পীরা ছবি এঁকে সেসব ভাইরাসের নানা রূপ দিয়েছেন। কোনোটি দেখতে সবুজ ছত্রাকের মতো, কোনোটি ঘিনঘিনে পোকার মতো। ভাইরাস আক্রান্ত হলে কম্পিউটার স্ক্রিনে ভেসে ওঠে সেইসব ছবি।

একেকটি ‍ভাইরাস আবার একেক ভিন্ন উপায়ে তৈরি। কম্পিউটারে কুকির নাচানাচি, দানবের আগ্রাসন স্টাঙ্কসনেটের ভয়াবহ যুদ্ধ দেখা যায়। আর তারচেয়ে বড় কথা কম্পিউটারে ক্ষতিরও মাত্রা বাড়তে থাকে নতুন নতুন ভাইরাস আবিষ্কারে। একটির চেয়ে আরেকটি বেশি ভয়ঙ্কর। ইন্টারনেট জগতে এইসব ভাইরাসের বিচরণে লাখ লাখ কম্পিউটার বসে গেছে। এক পর্যায়ে ভাইরাস সৃষ্টি ও ছড়িয়ে দেওয়ার এই খেলায় যোগ দেয় সামরিক শক্তিগুলোও। একসময় যা ছিলো নিতান্তই সাধারন হুমকি তা এখন হয়ে উঠেছে বড় বাণিজ্য, জাতীয় নিরাপত্তাও এখন যার হুমকিতে।লরেন্স স্ল্যাটারের বানানো কুকি মনস্টার…. ১৯৬৯ সালে এই ভাইরাস প্রথম কোডেড হয়। এটি ভাইরাস জগতের প্রথম দিকের একটি। ব্যবহার কারী তার কম্পিউটারে ‘কুকি (cookie) কথাটি যতক্ষণ না লিখবেন ততক্ষন এর সমগ্র প্রক্রিয়া বন্ধ করে রাখবে এই ভাইরাস। আবিস্কারক কম্পিউটার ব্যবহারকারীদের সঙ্গে অনেকটা ঠাট্টা করতেই এই ভাইরাস বানিয়েছিলেন


আরোও সংবাদ