হাকিম কন্ট্রাক্টরের মতো নীতি, চরিত্র ও আদর্শবান হওয়ার পরামর্শ

প্রকাশ:| বৃহস্পতিবার, ৩ জুলাই , ২০১৪ সময় ১১:২৮ অপরাহ্ণ

আজীবন আ’লীগের জন্য ত্যাগ করেছেন আবদুল হাকিম কন্ট্রাক্টরবাংলাদেশ আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা মোহাম্মদ ইসহাক মিয়া বলেছেন, বর্তমানে নীতি ও আদর্শের খাঁটি নেতা এবং কর্মী পাওয়া অনেকটা দুষ্কর। পদ লোভ, প্রাপ্তির প্রত্যাশা রাজনীতিকে প্রতিদিন গ্রাস করছে। মরহুম আবদুল হাকিম কন্ট্রাক্টর আজীবন আওয়ামী লীগের জন্য ত্যাগই করে গেছেন, ভোগ বিলাসের কোন আকাঙ্ক্ষা তার ছিল না।

আগামী প্রজন্মকে আবদুল হাকিম কন্ট্রাক্টরের মতো নীতিবান, চরিত্রবান ও আদর্শবান হওয়ার পরামর্শ দেন আওয়ামী লীগের এ প্রবীণ নেতা।

বৃহস্পতিবার চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র এম মনজুর আলমের পিতা আবদুল হাকিম কন্ট্রাক্টরের ১৮ তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে মোস্তফা-হাকিম ভবনে আয়োজিত স্মরণ সভায় এসব কথা বলেন তিনি।

মোস্তফা-হাকিম ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন উদ্যোগে আয়োজিত স্মরণ সভায় সভাপতিত্ব করেন সংসদ সদস্য মোহাম্মদ দিদারুল আলম। বক্তব্য রাখেন সিটি মেয়র এম মনজুর আলম, আবু তাহের, এম এফ আলম, কাউন্সিলর নিছার উদ্দিন আহমদ মঞ্জু।

সিটি মেয়র এম মনজুর আলম বলেন, আমার পিতা একজন আদর্শবান রাজনীতিবিদ, সমাজসেবক ও আদর্শ পিতা ছিলেন। তার নীতি ও আদর্শ বাস্তবায়নে সচেষ্ট রয়েছি।

সংসদ সদস্য দিদারুল আলম বলেন, ভাষা আন্দোলন, শিক্ষা আন্দোলন, ৬ দফার আন্দোলন, মহান মুক্তিযুদ্ধ ও দেশ গড়ার আন্দোলনে মরহুম আবদুল হাকিম কন্ট্রাক্টরের ভূমিকা ও অবদান ছিল অবিস্মরণীয়। ত্যাগ ও সেবায় আবদুল হাকিম কন্ট্রাক্টর আগামী প্রজন্মের জন্য একজন আদর্শ মানুষ ও নেতা।

স্মরণ সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন আকবর শাহ থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক কাজী মোহাম্মদ আলতাফ হোসেন, সাবেক কমিশনার এস এম আলমগীর, শ্রমিক নেতা শফি বাঙালী, আওয়ামী লীগ নেতা জহুর আলম জসিম, বিএনপি নেতা আব্বাস রশিদ, জামায়াত নেতা সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

পরে মরহুম আবদুল হাকিম কন্ট্রাক্টরের আত্মার মাগফেরাত কামনায় খতমে কোরআন, মিলাদ মাহফিল, বিশেষ দোয়া, ছেমাহ মাহফিল ও ইফতারের আয়োজন করা হয়।

মোস্তফা-হাকিম ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন পরিচালিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, মাদ্রাসা, এতিমখানা, মসজিদ ইত্যাদির উদ্যোগে কবর জেয়ারত, খতমে কোরআন ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
এছাড়াও মরহুমের রুহের মাগফেরাত কামনায় আন্দরকিল্লা শাহী জামে মসজিদ, জমিয়তুল ফালাহ জাতীয় মসজিদ, আলমগীর খানকা শরীফ, তৈয়বিয়া খানকা শরীফ, তৈয়বিয়া মসজিদসহ বিভিন্ন মসজিদে রোজাদারদের মাঝে ইফতার বিতরণ করা হয়।