কন্টেইনার জটে বিপাকে পড়েছে বন্দর

প্রকাশ:| মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট , ২০১৫ সময় ০৯:২৬ অপরাহ্ণ

কন্টেইনারচট্টগ্রাম বন্দরের ইয়ার্ডে খালি কন্টেইনার ধারণ ক্ষমতা ৫ হাজার ৫০০। কিন্তু মঙ্গলবার পর্যন্ত ধারণ ক্ষমতার চেয়ে প্রায় ৮০০ কন্টেইনার বেশি রয়েছে।

এদিকে উদ্ভূত পরিস্থিতি নিরসনে চট্টগ্রাম বন্দর প্রশাসন বুধবার সকালে শিপিং এজেন্ট এবং অপারেটরসহ সংশ্লিষ্টদের নিয়ে বৈঠকে বসছে।বৈঠকে বন্দর চেয়ারম্যানসহ বন্দরের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত থাকবেন।

চট্টগ্রাম বন্দরের পরিবহন পরিচালক মো. গোলাম সরওয়ার বলেন, বন্দরের ইয়ার্ড খালি করতে খালি কন্টেইনারের উপর চারগুণ ভাড়া আরোপ করা হয়েছে। এরপরও ইয়ার্ড খালি হচ্ছে না। তাই বুধবার সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষকে নিয়ে বৈঠক বসছি।

বন্দর সূত্রে জানা গেছে, অতিরিক্ত খালি কন্টেইনার পড়ে থাকার কারণে জাহাজ থেকে কন্টেইনার খালাস এবং ইয়ার্ডে হ্যান্ডলিং যন্ত্রপাতি চলাচলে সংকট তৈরি হয়েছে।নির্দিষ্ট সময়ে কন্টেইনার না পেয়ে বন্দর ছেড়ে গেছে অনেক বিদেশি জাহাজ।

চট্টগ্রাম বন্দরের সদস্য (এডমিন এন্ড প্ল্যানিং) জাফর আলম বলেন, রমজান ও ঈদের কারণে জাহাজ জটের সৃষ্টি হয়েছিল। তাই নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে বন্দর ছেড়ে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। এতে অনেক জাহাজ খালি কন্টেইনার না নিয়ে চলে গেছে।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, অফডকগুলো পণ্যভর্তি কন্টেইনারই নিতে আগ্রহী না থাকায় শিপিং এজেন্টরা চাইলেও খালি কন্টেইনার নিতে পারছে না। অধিক মুনাফা করতেই অফডকগুলো খালি কন্টেইনার নিতে আগ্রহী নয় বলে জানা গেছে।

২০০৭ সালেও বন্দর কর্তৃপক্ষ খালি কন্টেইনার জট সমস্যায় পড়েছিল। তখন প্রত্যেক জাহাজের জন্য ২৫০ টিইইউএস করে খালি কন্টেইনার নেয়া বাধ্যতামূলক করে দেয়া হয়েছিল।

চলতি মাসের প্রথম দিকে ইয়ার্ডে পড়ে থাকা খালি কন্টেইনার সংখ্যা ৯ হাজার ছাড়িয়ে যাওয়ায় স্বাভাবিক অপারেশনাল কার্যক্রমে বিঘ্ন দেখা দেয়। জাহাজ থেকে খালাস করে কন্টেইনার রাখা, শিপমেন্ট, ডেলিভারি এবং বিভিন্ন যন্ত্রপাতি চলাচলে সংকট তৈরি হয়।