কনেস্টবল কায়ূম হত্যা মামলার আসামি সোহেল গ্রেপ্তার

প্রকাশ:| মঙ্গলবার, ৫ নভেম্বর , ২০১৩ সময় ০৮:৫৫ অপরাহ্ণ

হত্যাকাণ্ডের প্রায় ৫০ ঘণ্টা পর চট্টগ্রামের ডিআইজির বাসভবনের নিরাপত্তারক্ষী (পুলিশ কনেস্টেবল) আব্দুল কাইয়ূম হত্যা মামলার আসামি সোহেলকে (৩২) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এসময় তার বাসা থেকে রক্ত মাখা একটি কাপড়ও উদ্ধার করা হয়।ctg-Arrest-sm20131105193316
মঙ্গলবার দুপুর দু’টায় তাকে নগরীর মতিঝর্ণা মসজিদ কলোনির পেছনের একটি ভাড়া বাসা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। সোহেল সম্প্রতি যুবলীগ নেতা হুমায়ূন কবির মুরাদ হত্যা মামলারও এজাহারভূক্ত আসামি। এছাড়া তার বিরুদ্ধে খুলশী থানায় ছিনতাইয়ের একটি মামলা রয়েছে। সে এলাকার জনৈক মৃত আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে এবং স্থানীয় ডেকোরেটার্স মিস্ত্রি।

খুলশী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাঈনুল ইসলাম বলেন, ‘পুলিশ সদস্য খুনের পর আসামীদের ধরতে পুলিশ অভিযান অব্যাহত রাখে। সোমবার গভীর রাতে একাধিক টিম অভিযান চালানোর একপর্যায়ে সোহেলকে মতিঝর্ণার বাসা থেকে দুপুরে গ্রেপ্তার করা হয়। এসময় তার কাছ থেকে রক্তমাখা একটি কাপড়ও উদ্ধার করা হয়।’

ওসি জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সোহেল পুলিশ সদস্য খুনের সঙ্গে জড়িত ছিল বলে স্বীকার করেছে এবং ছিনতাইকাজে বাধা দেয়ায় তারা ৬ জনের একটি দল কুপিয়ে পুলিশ সদস্যদের আহত করে। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তার ও হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত চাপাতি উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।

ডিআইজি নওশের আলী খানের বাসার গার্ড ইনচার্জ সহকারি উপ-পরিদর্শক আসাদুজ্জামান বাদী হয়ে রোববার গভীর রাতে মামলাটি দায়ের করেন। খুলশী থানার মামলা নম্বর-৫। মামলায় ১১ জনের নাম উল্লেখ করে আরো ৮ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে। আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৩৯৬ ধারায় খুনসহ ডাকাতির অভিযোগ আনা হয়েছে।

মামলার আসামিরা হলো- সুমন, আরসেল, মিন্টু, বাবুল, হাসান, নিজাম, সোহেল, তপন, নুর আলম, জাবেদ ও হারুন।

খুলশী থানার উপ-পরিদর্শক মিজানুর রহমান জানিয়েছেন, ডিআইজির বাসায় ডিউটি শেষ করে চার পুলিশ সদস্য সাদা পোশাকে টাইগারপাস মোড়ের দিকে আসছিলেন। এসময় তারা জিলাপীর পাহাড়ের নিচে একটি সিএনজি টেক্সির যাত্রীদের ছিনতাইকারী কবলে পড়তে দেখেন। পুলিশ ওই যাত্রীদের উদ্ধার করতে গেলে ছিনতাইকারীরা চার পুলিশ সদস্যকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে আহত করে। এরমধ্যে ঘটনাস্থলেই কাইয়ূম মারা যান।


আরোও সংবাদ