কক্সবাজারের সাথে সারা দেশের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার উপক্রম

প্রকাশ:| শনিবার, ১৫ জুলাই , ২০১৭ সময় ০৮:২৫ অপরাহ্ণ

বি  হাবিব উল্লাহ, চকরিয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি:চকরিয়ায় কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহাসড়কের মাতামুহুরী নদীর উপর ৫৭ বছর পুর্বে নির্মিত গার্ড়ার ব্রীজটি বর্তমানে চরম হুমকির সম্মূখীন। যে কোন মুহুর্তে ব্রীজটি ধ্বসে পড়ে কক্সবাজারের ৮ উপজেরা ও পাশ্চবর্তী বান্দরবানের ৩ উপজেলা সহ সারা দেশের সাথে পর্যটন নগরী কক্সবাজারের সরাসরি যোগাযোগ ব্যবস্থা বন্ধ হয়ে যেতে পারে। এ আশংকা ১১ উপজেলায় বসবাসরত অর্ধকোটি জনগনের। বর্তমানে কক্সবাজার সড়ক ও জনপথ বিভাগের চকরিয়া সড়ক উপবিভাগের চিরিঙ্গা সেকশনের পক্ষ থেকে ব্রীজের নীচে পিলার হিসাবে বালির বস্তা দিয়ে চতুর্দিকে দেয়াল দিয়ে ব্রীজটি ধ্বসে পড়ার হাত থেকে রক্ষা করার নামে মাত্র ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। সচেতন ও অভিজ্ঞ মহলের মতে, যে ব্রীজের উপর দিয়ে ভারী মাল বোঝাই ও যাত্রীবাহি দৈনিক হাজার হাজার গাড়ি যাতায়ত করে সে ব্রীজের নীচে অস্থায়ী পিলার হিসাবে বালির বস্তা বসিয়ে ব্রীজটি রক্ষা করার আদৌও সম্ভব কিনা তা নিয়ে কৌতুহলের সৃষ্টি হয়েছে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ১৯৬০ সালে ৩১০ মিটার দৈর্ঘ্য ও ৬.৮ মিটার প্রস্থ ৬টি পিলার ও ৭টি স্পেন এর উপর নির্মিত এ ব্রীজটির বর্তমান বয়স ৫৭ বছর। নির্মাণকালে ব্রীজটির স্থায়ীত্ব ধরা হয়েছিল আনুমানিক ১ শত বছর। কিন্তু দেশের সর্ব দক্ষিণ প্রান্তের বিশে^র দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত পর্যটন শহর কক্সবাজার হওয়ায় এখানে স্বাভাবিক যাতায়তের গাড়ির চেয়ে পর্যটন মৌসুমে তৎকালিন পরিসংখ্যানের চাইতে আরো লাখ লাখ পর্যটকবাহি গাড়ি যাতায়ত করায় তার আগেই ব্রিজটির বিভিন্ন স্থান ভেঙে পড়ে ও নিচু হয়ে যায়। ফাটলও ধরেছে কয়েকটি স্থানে। ব্রিজের ঠিক মাঝখানে বড় ধরনের গর্ত হওয়ায় পাটাতনের মাধ্যমে জোড়াতালি দিয়ে যানবাহন চালু রেখেছে কর্তৃপক্ষ। এতে কোনও যাত্রী ও পণ্যবাহী গাড়ি ব্রিজে উঠলেই কেঁপে উঠায়, আতঙ্ক শুরু হয় যাত্রীদের মধ্যে। বিকল্প ব্যবস্থা না থাকায় এভাবেই জীবনের ঝুঁকি নিয়ে প্রতিদিন যাতায়াত করছে লাখো মানুষ।