কক্সবাজারের পেকুয়ায় দু’পক্ষের সংঘর্ষে ব্যবসায়ী ও কলেজ ছাত্রীসহ ১০জন আহত

প্রকাশ:| মঙ্গলবার, ১৯ নভেম্বর , ২০১৩ সময় ০৮:৫৫ অপরাহ্ণ

মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন, কক্সবাজার প্রতিনিধিকক্সবাজারের পেকুয়ায় দু’পক্ষের সংঘর্ষে
কক্সবাজরের পেকুয়া উপজেলায় তুচ্ছ বিষয়কে কেন্দ্র করে দু’পক্ষের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে কলেজ ছাত্রী, পথচারীসহ ১০ জন গুরুতর আহত হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে, সোমবার (১৮ নভেম্বর) ৮টার দিকে উপজেলার বারবাকিয়া ইউনিয়নের দক্ষিণ রাখাইন পাড়া গ্রামে। আহতদেরকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে পেকুয়া সরকারী হাসপাতালে ভর্তি করেছে। এদিকে আহত পথচারী পেকুয়া চৌমুহুনী মার্কেটের কোয়ালিটি স্টুডিওর মালিক ইলিয়াছ উদ্দিন সুমনের অবস্থা আশংকাজনক হওয়ায় তাকে মঙ্গলবার বিকালে পেকুয়া সরকারী হাসপাতাল থেকে চমেক হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও এলাকাবাসীদের সূত্রে জানা গেছে, বারবাকিয়া ইউনিয়নের ওই গ্রামের আহমদ হোছাইনের একটি গরু গত কয়েক দিন পূর্বে নুরুজ্জামানের জমির পাকা ধান নষ্ট করে। এরই জের ধরে ঘটনার দিন দু’পক্ষের মধ্যে কথাকাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে নুরুজ্জামান (৪৭) গংয়ের ১০/১২ জন লোক অতর্কিতভাবে আহমদ হোছাইনের পরিবারের লোবজনের ধারালো দা-কিরিচ নিয়ে হামলা চালায়। হামলায় বৃদ্ধ আহমদ হোছ্ইান, তার কন্যা কক্সবাজার সিটি কলেজের অনার্সের ছাত্রী শাহিদা বেগম (২৮), মৃত ইয়াকুব নবীর পুত্র গিয়াস উদ্দিন (৩৫) ও কাইছার (২৫) ইয়াকুব নবী, মো: বাবুল (৩৫), নয়ন (১০) কে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে। হামলায় নুরুজ্জামানের পুত্র আবুল কালাম ও আহত হয়েছে। আহতরা পেকুয়া সরকারী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
এদিকে ওই দু’পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ চলাকালে পেকুয়া চৌমুহুনীকে বাড়ী ফিরছিলেন ব্যবসায়ী ইলিয়াছ উদ্দিন সুমন। সংঘর্ষ থামাতে গিয়ে তিনিও হামলার শিকার হয়ে গুরুতর আহত হন। এসময় হামলাকারীর সুমনের কাছ থেকে লক্ষাধিক টাকা ছিনিয়ে নেন। তার অবস্থা আশংকাজনক। তবে আহত আরো ২জনের পরিচয় পাওয়া যায়নি।
পেকুয়া থানার ওসি এম, মাঈন উদ্দিন আহমদ জানিয়েছেন, এখনো থানায় কেউ অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পেলেই তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।