ওয়ার্লেস কলোনী উচ্চ বিদ্যাল‘র প্রাক্তন ছাত্রছাত্রী পরিষদ আয়োজিত পূনর্মিলনী অনুষ্ঠান সম্পূন্ন

প্রকাশ:| বুধবার, ২৮ ডিসেম্বর , ২০১৬ সময় ০৭:২৩ অপরাহ্ণ

 

 

শিক্ষার মান উন্নয়নে ও বিদ্যালয়ের অবকাঠামো উন্নয়নের জন্য
কাউন্সিলর মোহাম্মদ হোসেন হিরনের অবদান চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে

মহান ভাষা আন্দোলনের মাসে ’৫২ কয়েকজন শিক্ষানুরাগী ব্যক্তিত্বের কঠোর পরিশ্রমের অবদান আজকের ওয়ার্লেস ঝাউতলা কলোনী উচ্চ বিদ্যালয়। হাটি হাটি পা পা করে আজ বিদ্যালয়টি ৬৪ বৎসরে পদাপন করেছেন। এই স্কুল থেকে বিদ্যালয় ত্যাগ করে দেশে-বিদেশের বিভিন্ন শীর্ষস্থানে অবস্থান করছেন এই স্কুলের শিক্ষার্থীরা। আজ তাঁদের পূনর্মিলনী অনুষ্ঠানে প্রাক্তন ছাত্রছাত্রীরা এসে শিক্ষার মান উন্নয়নে ও বিদ্যালয়ের অবকাঠামো উন্নয়নের জন্য কাউন্সিলর মোহাম্মদ হোসেন হিরনের অবদান চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে বলে শিক্ষার্থীরা ও প্রাক্তন শিক্ষকরা এ অভিমত ব্যক্ত করেন। প্রাক্তন ছাত্রছাত্রী পরিষদ আয়োজিত দিনব্যাপী পূনর্মিলনী অনুষ্ঠান বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ও অন্যান্য অতিথিদের সাথে নিয়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন।  এর পর বর্ণাঢ্য র‌্যালীর মাধ্যমে উদ্বোধন ঘোষণা করেন অনুষ্ঠানের উদ্বোধক নাহার এগ্রো গ্রুপের ম্যানেজিং ডাইরেক্টর মোঃ রাকিবুর রহমান টুটুল। পরিষদের ফ্যাস্টুন সম্বলিত বেলুন উড়িয়ে প্রধান অতিথি কাউন্সিলর মোহাম্মদ হিরন ও উদ্বোধক মোঃ রাকিবুর রহমান টুটুল, প্রধান বক্তা ফোর এইচ গ্রুপের চেয়ারম্যান মামুন রশিদ চৌধুরীসহ সংগঠনের বিভিন্ন উপপরিষদের নেতৃবৃন্দসহ অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঘোষণা শেষে বণার্ঢ্য র‌্যালী বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শনের করে বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে এসে শেষ হয়।  অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বে পরিষদের আহ্বায়ক সৈয়দ মুহাম্মদ তারিফের সভাপতিত্বে ও অনুষ্ঠান উপপরিষদের আহ্বায়ক মো. জাহাঙ্গীর আলমের সঞ্চালনায় স্মৃতিচারণ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন বিদ্যালয়ের অবসর প্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক বাবু নেপাল শীল, বিশেষ বক্তার বক্তব্য রাখেন সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা মো. মাহামুদুর রহমান মাহমুদ, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিন, পরিচালনা পরিষদের সদস্য মোস্তফা কামাল তালুকদার, প্রাক্তন শিক্ষক মোহাম্মদ আলী (মি: স্যার), রাফিয়া খাতুন, সুমনা রাণী বড়–য়া, সদূর বগুড়া হতে আগত প্রাক্তন ছাত্রী ও শিক্ষক কাজী লতিফা খানম, দিলরুবা বেগম, প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের মধ্যে ১৯৬৯ সালের নুরুল ইসলাম চৌধুরী, ১৯৭৫ সালের শিক্ষার্থী, বিমান বাংলাদেশ এয়ার লাইরেন্সর প্রিন্সিপাল ইঞ্জিনিয়ার সায়েদ আহমেদ, ১৯৮০ সালের শিক্ষার্থী ও বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য শেখ সালেকুর রহমান চৌধুরীর ছেলে সরওয়ার আহমেদ চৌধুরী এমরান। এতে আরো বক্তব্য রাখেন মো. রফিকুল ইসলাম, পারভেজ খান, মো. আলী, আরিফুল ইসলাম, আবু ইউনুছ, গুলজার হোসেন মিন্টু, মো. রফিকুল ইসলাম লাভলু, মো. মাসুদ রানা, রহমত উল্লাহ রাজু, শামীমা আক্তার রুনা, মোঃ রফিকুল ইসলাম। এই সময় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের উপদেষ্টা আবুজাহের মাস্টার, হায়দার হোসেন বাদল, শহিদুল ইসলাম মকবুল, আবদুল গণি প্রমুখ। অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সম্মাননা প্রদান করা হয় এবং বিগত ১০, ১২ ও ১৬ সালের পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে পরিষদের উপদেষ্টা সহ বিভিন্ন পরিষদের দায়িত্ব প্রাপ্তদের শুভেচ্ছা স্মারক প্রদান করা হয়। পরিশেষে বিদ্যালয়ের অধ্যায়নরত ছাত্রছাত্রীদের অংশগ্রহণে ও প্রাক্তন শিক্ষার্থী ২০০১ ব্যাচের অংশগ্রহণে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও চট্টগ্রামের সুনামধন্য ব্যান্ড সংগীত নাটাই এর পরিবেশনের মাধ্যমে অনুষ্ঠান সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।