ওসিসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ

প্রকাশ:| শুক্রবার, ৬ নভেম্বর , ২০১৫ সময় ০৯:৫৭ অপরাহ্ণ

চান্দগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, দুই উপপরিদর্শক ও চার সহকারী উপপরিদর্শকের বিরুদ্ধে নগর পুলিশ কমিশনারের কাছে লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে। ঘুষ গ্রহণ, হয়রানিসহ তাঁদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ করেছেন চান্দগাঁও এলাকার সাতজন বাসিন্দা। গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে লিখিত অভিযোগ পেয়ে পুলিশ কমিশনার বিষয়টি তদন্ত করার নির্দেশ দিয়েছেন।
চান্দগাঁও থানার বাসিন্দা ইউসুপ সওদাগর, নাজমুল হক, বাবুল দে, সুমন দাশ, মোহাম্মদ মামুন, সুজন চৌধুরী ও চান মিয়া এ অভিযোগ করেছেন। এতে ছয়টি ঘটনার বর্ণনা দিয়ে চান্দগাঁও থানার এই সাত পুলিশ কর্মকর্তাসহ আটজনকে অভিযুক্ত করেন।
লিখিত অভিযোগ পাওয়ার কথা স্বীকার করে চট্টগ্রাম নগর পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ আবদুল জলিল মণ্ডল প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমরা অভিযোগগুলোর তদন্ত শুরু করেছি। অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
অভিযুক্ত পুলিশ কর্মকর্তারা হলেন ওসি সাইরুল ইসলাম, এসআই মোহাম্মদ নাসিম ও জাকির, এএসআই অর্ণব বড়ুয়া, মনির, আতাউল ও পিযূস কান্তি সিংহ এবং ওসির গাড়িচালক মো. রহিম। তাঁদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলায় জড়ানোর ভয় দেখিয়ে টাকা আদায়, ইয়াবা বড়ি ও গাঁজা দিয়ে মামলায় জড়ানো এবং টাকার বিনিময়ে আবার অব্যাহতি দেওয়া, সাধারণ নাগরিকদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করা, কথায় কথায় থানার লকআপে ঢোকানোর হুমকি দেওয়ার অভিযোগ করা হয়।
জানতে চাইলে ইউসুপ সওদাগর প্রথম আলোকে বলেন, ‘চান্দগাঁও থানার ওসির নির্দেশে আমার কাছ থেকে দুই দফায় দেড় লাখ নেন তাঁর গাড়ির চালক রহিম। অন্য পুলিশ কর্মকর্তারা এর আগে বাসায় এসে শাসিয়ে যান টাকার জন্য। নইলে আমার ছেলে ইকবালকে মামলায় ফাঁসানো হবে বলে হুমকি দেন। উপায় না দেখে আমরা সাতজন পুলিশ কমিশনারের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছি।’
তবে অভিযোগের বিষয়ে চান্দগাঁও থানার ওসি সাইরুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, ‘অভিযোগকারী সাত ব্যক্তি আমাদের বিরুদ্ধে ঢালাও অভিযোগ এনেছেন। তাঁদের মধ্যে ইউসুপ সওদাগরসহ অনেকের বিরুদ্ধে মামলা রয়েছে। তদন্ত ভিন্ন দিকে নিতে এমন অভিযোগ আনা হয়েছে। দেড় লাখ টাকা লেনদেনের সঙ্গে পুলিশের কোনো সম্পর্ক নেই।’