ঐতিহাসিক ছয়-দফা দিবস আজ

প্রকাশ:| শুক্রবার, ৭ জুন , ২০১৩ সময় ০৬:২৩ পূর্বাহ্ণ

আজ ৭ জুন। ঐতিহাসিক ছয়-দফা দিবস। ১৯৬৬ সালের এই দিনেই জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানsk mojeb2 শোষিত-বঞ্চিত বাঙালি জাতির মুক্তির সনদ ৬-দফা ঘোষণা করেন। এই ৬ দফাকে কেন্দ্র করেই সেদিন মুক্তির লক্ষ্যে দেশব্যাপী সূচিত হয় বাঙালির তীব্র গণ-আন্দোলন। ক্ষেপে যায় পশ্চিম পাকিস্তানের শাসকগোষ্ঠী। এই দিন তত্কালীন পূর্ব-পাকিস্তানে আওয়ামী লীগের ডাকা শান্তিপূর্ণ হরতাল চলাকালে তেজগাঁও, নারায়ণগঞ্জে পুলিশ ও ইপিআর’র গুলিতে মনু মিয়া, শফিক ও শামসুল হকসহ ১০ জন বাঙালি শহীদ হন। আরও গুলি হয় পুরোনো ঢাকা ভিক্টোরিয়া পার্ক এবং মুক্তাগাছাসহ দেশের অনেক স্থানে। হতাহত হয় অনেকে। এরপর থেকেই বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে ধারাবাহিক আপসহীন সংগ্রামের পথ পেয়ে ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের দিকে এগিয়ে যায় মুক্তিপাগল বাঙালি জাতি।

৬-দফার মূল বক্তব্য ছিল— প্রতিরক্ষা ও পররাষ্ট্র বিষয় ছাড়া সকল ক্ষমতা প্রাদেশিক সরকারের হাতে থাকবে। পূর্ববাংলা ও পশ্চিম পাকিস্তানে দু’টি পৃথক ও সহজ বিনিময়যোগ্য মুদ্রা থাকবে। সরকারের কর এবং শুল্ক ধার্য ও আদায় করার দায়িত্ব প্রাদেশিক সরকারের হাতে থাকাসহ দুই অঞ্চলের অর্জিত বৈদেশিক মুদ্রার আলাদা হিসাব থাকবে এবং পূর্ববাংলার প্রতিরক্ষা ঝুঁকি কমানোর জন্য এখানে আধা-সামরিক বাহিনী গঠন ও নৌবাহিনীর সদর দপ্তর স্থাপনের দাবি জানানো হয়।

কর্মসূচি:ঐতিহাসিক ৭ জুন উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গতকাল পৃথক বাণী প্রদান করেছেন। দিবসটি উপলক্ষে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ গ্রহণ করেছে বিস্তারিত কর্মসূচি। বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক সংগঠনও দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদায় পালন করবে। আওয়ামী লীগের কর্মসূচির মধ্যে আছে— সূর্যোদয়ের ক্ষণে দেশব্যাপী দলীয় কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন, সকাল ৭টায় ধানমণ্ডিস্থ ৩২ নম্বর সড়কে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধার্ঘ্য অর্পণ।


আরোও সংবাদ