এরশাদের রহস্যজনক অন্তর্ধান

প্রকাশ:| মঙ্গলবার, ৩ ডিসেম্বর , ২০১৩ সময় ০৯:৩৮ অপরাহ্ণ

রহস্য জনকজাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের কোনো খোঁজ পাচ্ছে না তার ঘনিষ্ঠরা। এই মুহূর্তে তিনি কোথায় আছেন বলতে পারছেন না কেউ। এছাড়া তার ব্যক্তিগত মোবাইল ফোনটিও বন্ধ রয়েছে। এরশাদের খোঁজ-খবর রাখেন এমন সিনিয়র নেতাদের সঙ্গে কথা বলেও কোনো ধরনের তথ্য পাওয়া যায়নি। এমনকি তার বাসার লোকজনও কোনো হদিস দিতে পারছেন না।

এরশাদের এক ঘনিষ্ঠ সূত্রের মতে, ঢাকায় থাকলে ৪টি স্থানে থাকার সম্ভাবনা রয়েছে এরশাদের। স্থানগুলো হলো – বারিধারার প্রেসিডেন্ট পার্ট (নিজ বাসভবন), স্ত্রী রওশন এরশাদের গুলশানের বাসা, গুলশান ক্লাব, ডিওএইচএস ক্লাব।

এছাড়া মাঝে মাঝে বনানীস্থ রাজনৈতিক কার্যালয়, কাকরাইলস্থ কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সময় ব্যায় করেন তিনি।কিন্তু এসব কোনো স্থানেই খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না এরশাদের।তার ঘনিষ্ঠদের কাছে জানতে চাওয়া হলে তারাও কোনো প্রকার তথ্য দিতে পারছেন না।

তার এক ঘনিষ্ঠ সূত্রের দাবি, নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দিয়ে সরকারের রোষানলে পড়তে পারেন তিনি। তাই এই মুহূর্তে গা ঢাকা দিয়েছেন তিনি।ওই সূত্রের ধারণা, সম্ভবত তিনি কূটনৈতিক পাড়ায় রয়েছেন।

প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার দুপুরে বনানীর নিজ কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে নির্বাচন থেকে সরে আসার ঘোষণা দিয়েছে জাপা চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ। সেই সঙ্গে প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারেরও নির্দেশ দেন তিনি।
বনানীতে তার কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন শেষে সাবেক এই প্রেসিডেন্টের মোবাইলে একটি ফোন আসে। এরপর দ্রুত সংবাদ সম্মেলনস্থল ত্যাগ করেন তিনি। এসময়ের পর থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত এরশাদের খোঁজ মিলেনি। এরশাদের এই খোঁজ না মেলাকে রহস্যজনক মনে করা হচ্ছে। সংবাদ সম্মেলনে এরশাদ তার ওপর চাপের কথা খোলামেলাভাবে বলেনও। এদিন তিনি সাংবাদিকদের উদ্দেশে বলেন, তোমরা আমাকে বিদ্রূপ করে লিখো না। এরশাদ সাহেব সকালে এক কথা বলে বিকালে এক কথা বলে- এমন কথা লিখো না। সব কষ্টের কথা বলা যায় না। আমি এক শৃঙ্খলিত রাজনীতিবিদ।


আরোও সংবাদ