এমভি বাঙ্গালী চড়ে সেন্টমার্টিন থেকে ফিরেছে পর্যটক

প্রকাশ:| রবিবার, ১২ মার্চ , ২০১৭ সময় ০৮:০৬ অপরাহ্ণ

শামসু উদ্দীন, টেকনাফ::
বৈরী আবহাওয়ার সেন্টমার্টিনের আটকে পড়া প্রায় সাড়ে ৬’শতাধিক পর্যটক নিরাপদে টেকনাফে ফিরেছে।
বঙ্গোপসাগর উত্তাল থাকার কারনে ৩ নং সতর্ক সংকেত জারী হাওয়ায় পর্যটকবাহী চলাচলে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে প্রশাসন। ফলে সেন্টমার্টিন নৌ-রুটে জাহাজ চলাচলে নিষেধাজ্ঞা আরোপ থাকায় প্রায় দেড় হাজার পর্যটক আটকা পড়ে। তবে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে প্রায় ৭’শতাধিক পর্যটক গত ২দিনে ছোট ছোট কাঠের ট্রলারে করে টেকনাফে ফিরে আসে। যারা ফিরতে পারেনি তাদের নিয়ে আসার জন্য প্রশাসনের অনুমতিক্রমে ১২ মার্চ রবিবার বিকালে সেন্টমার্টিনে পৌঁছে এমভি বাঙ্গালী পর্যটক জাহাজ।
সেন্টমার্টিন ইউপি চেয়ারম্যান নুর আহমদ জানান, গত কয়েকদিনে সেন্টমার্টিন ভ্রমনে এসে প্রায় দেড় হাজার পর্যটক দ্বীপে অবস্থান করছিল। এর মাঝে হঠাৎ করে বঙ্গোপসাগর উত্তাল হয়ে পড়লে ৩ নং সংকেত জারী হওয়ায় প্রশাসন পর্যটকবাহী জাহাজ চলাচলে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। ফলে দ্বীপে ভ্রমনে আসা পর্যটকরা আটকা পড়ে। তবে প্রায় কয়েক শতাধিক পর্যটক গত ২দিনে ঝুঁকি নিয়ে ট্রলারে করে টেকনাফে ফিরে গেছে।
দ্বীপে রয়ে যাওয়া বাকী আটকে পড়াদের ফিরিয়ে নিতে রবিবার বিকাল চারটার দিকে পর্যটকবাহী জাহাজ এমভি বাঙ্গালী সেন্টমার্টিনে পৌঁছে। আটকা পড়া পর্যটকদের মধ্যে নারী-পুরুষ ও শিশু রয়েছে। আটকে পড়া তিন দিনে কেউ অসুস্থ হয়নি। পর্যটকদের নিরাপত্তার জন্য স্থানীয় প্রশাসন ও ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যোগে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহন করা হয়েছিল।
ঢাকার আবদুল আলিম নিউজচিটাগাংকে জানান, বৈরী আবহাওয়ার কারনে পর্যটকবাহী জাহাজ সেন্টমার্টিনে চলাচল না করায় উদ্বিগ্ন ছিলাম। তবে দ্বীপের মানুষের আন্তরিকতায় কোন ভয়ভীতি ছিলনা। থাকা ও খাদ্যের কোন প্রকার সমস্যা হয়নি। প্রশাসনের পক্ষ থেকেও যথাযথ খোঁজ খবর নেওয়া হয়েছিল।
এমভি বাঙ্গালী জাহাজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তোফায়েল আহমদ জানান, স্থানীয় প্রশাসনের অনুমতিক্রমে আটকে পড়া প্রায় সাড়ে ৬ শতাধিক পর্যটকদের সেন্টমার্টিন থেকে নিরাপদে সন্ধ্যা ৬ টায় টেকনাফের জেটিঘাটে ফিরিয়ে আনা হয়েছে।


আরোও সংবাদ