এমপি বাদলের ভাগিনার রহস্যজনক মৃত্যু

প্রকাশ:| রবিবার, ২০ আগস্ট , ২০১৭ সময় ১০:৫৭ অপরাহ্ণ

বোয়ালখালী প্রতিনিধিঃ
বোয়ালখালীতে জহুরুল আলম (৫০) নামের সংসদ সদস্য মঈন উদ্দিন খান বাদলের ভাগিনার রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। রবিবার (২০ আগস্ট) রাত ৭টার দিকে পৌর সদরের গোমদন্ডী ফুলতল এলাকায় মূর্মূষ অবস্থায় জহুরুল ইসলামকে উপজেলা হাসপাতালে আনা হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। নিহত জহুরুল আলম স্থানীয় সংসদ সদস্য মঈন উদ্দিন খান বাদলের ভাগিনা বলে জানিয়েছেন জাসদ নেতারা।

জহুরুল আলম পৌর সদরের পূর্ব গোমদন্ডী শাহ আহমদ চৌধুরী পাড়ার মৃত মীর আহমদের ছেলে। তিনি নগরীর সিএন্ডবি এলাকায় একটি বেসরকারী প্রতিষ্ঠানে নৈশ প্রহরীর চাকুরী করতেন। তাঁর তিন ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে।

নিহতের ছেলে মো.সাজ্জাদ হোসেন জানায়, সন্ধ্যায় ঘর থেকে নাস্তা করে তিনি বেরিয়ে ছিলেন। তবে কি কারণে তার মৃত্যু হয়ে তা এখনো নিশ্চিত নন।

এ বিষয়ে উপজেলা হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক তাপস কান্তি মজুমদার বলেন, জহুরুল ইসলামকে আবু তৈয়ব নামের এক অটো রিকশা চালক নিয়ে আসেন। এসময় জহুরুল আলমকে মৃত ঘোষণা করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে নিহতের শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন নেই। তবে কি কারণে তার মৃত্যু হয়েছে তা জানাতে পারেননি তিনি।

বোয়ালখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সালাহ উদ্দিন চৌধুরী বলেন, নিহতের মরদেহ হাসপাতাল থেকে উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হবে। ময়না তদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর কারণ জানা যাবে।

এ ঘটনায় পশ্চিম গোমদন্ডীর ছৈয়দ মেম্বার বাড়ীর ছুন্নু মিয়ার ছেলে আবু তৈয়বকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

স্থানীয় সূত্র জানায়, পৌর সদরের বুড়ি পুকুর পাড় এলাকায় ৩/৪জনের যুবক জহুরুল আলমকে অটো রিকশা মধ্যে মারধর করলে স্থানীয়রা তাকে তাদের কাছ থেকে ছাড়িয়ে নেয়। এরপর পুনরায় পৌর সদরের খায়ের মঞ্জিল এলাকায় আবারো ওই যুবকরা গতিরোধ করে মারধর করলে জহুরুল তাদের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করে। তিনি গোমদন্ডী ফুল এলাকা গিয়ে সড়কের উপর অজ্ঞান হয়ে পড়ে যান। সেখান থেকে অটোরিকশা চালক হাসপাতালে নিয়ে আসেন।

উপজেলা জাসদের সভাপতি মনির উদ্দিন খান জানান, নিহত জহুরুল স্থানীয় সাংসদ মঈন উদ্দিন খান বাদলের ভাগিনা হয়।