এমএ আজিজ ছিলেন বঙ্গবন্ধুর বিশ্বস্ত সহচর

প্রকাশ:| রবিবার, ২২ জানুয়ারি , ২০১৭ সময় ০৭:৩৭ অপরাহ্ণ

খ্যাতিমান সমাজবিজ্ঞানী, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা ড. অনুপম সেন বলেছেন, এমএ আজিজ ছিলেন বঙ্গবন্ধুর বিশ্বস্ত সহচর। ছয় দফা ঘোষণার আগে অনেক রাজনৈতিক নেতা মনে করেছিলেন এসব দাবি উত্থাপন করলে পাকিস্তানের সার্বভৌমত্ব অক্ষুণ্ন থাকবে না।

রোববার (২২ জানুয়‍ারি) এমএ আজিজ স্মরণে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ড চট্টগ্রাম মহানগর শাখার স্মরণসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. সেন এসব কথা বলেন।

শুরুতে ছয় দফা দাবি উত্থাপনের বিষয়ে অনেক নেতা অগ্রণী ভূমিকা পালন করেননি উল্লেখ করে ড. সেন বলেন, এই দিক দিয়ে এমএ আজিজ ছিলেন ব্যতিক্রম। তিনি নির্দ্বিধায় চট্টগ্রামে বঙ্গবন্ধুকে স্বাগত জানান। চট্টগ্রামে ঘোষিত ছয় দফা পরবর্তীতে বাঙালির মুক্তির সনদ হিসেবে সুপ্রতিষ্ঠিত হয়। বঙ্গবন্ধুকে এ ছয়দফার জন্য আগরতলা মামলায় জড়ানো হয়েছিল। কিন্তু বাঙালির গণঅভ্যুত্থান সব চক্রান্ত নস্যাৎ করে দেয়।

চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের ইঞ্জিনিয়ার আবদুল খালেক মিলনায়তনে সভায় সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের আহ্বায়ক মশরুর হোসেন। সদস্যসচিব হোসেন সরওয়ারদির পরিচালনায় বিশেষ অতিথি ছিলেন নগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আলতাফ হোসেন চৌধুরী বাচ্চু, মরহুম এমএ আজিজের ছেলে নগর আওয়ামী লীগ সদস্য সাইফুদ্দিন খালেদ বাহার, শহীদ পরিবারের সন্তান নগর যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক ফরিদ মাহমুদ, মরহুম জহুর আহমদ চৌধুরীর ছেলে নগর যুবলীগের সাবেক সদস্য জসিম উদ্দিন চৌধুরী, প্রয়াত নেতা মানিক চৌধুরীর ছেলে দীপংকর চৌধুরী কাজল, চট্টগ্রাম মহানগর যুবলীগের সদস্য নেছার আহমদ, শেখ নাছির আহাম্মদ।

আলোচনা অংশ নেন নগর যুবলীগের সাবেক সম্পাদক মণ্ডলীর সদস্য বখতিয়ার ফারুক, আশরাফুল গণি, নগর যুবলীগের সদস্য দেলোয়ার হোসেন দেলু, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ড কেন্দ্রীয় সদস্য সরওয়ার আলম মনি, নগর যুবলীগ সদস্য কাজী রাজেশ ইমরান, সাজ্জাদ আলী খান বাহাদুর, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ড চট্টগ্রাম মহানগরীর সদস্য প্রফেসর ওমর ফারুক রাসেল, নগর ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি নাজমুল হাসান রুমি, নগর ছাত্রলীগ সদস্য শহীদুল ইসলাম শহীদ, মিজানুর রহমান সাজিব, আশরাফুল ইসলাম, এম হায়দার আলী, মো. সাজ্জাদ হোসেন প্রমুখ।

আলতাফ হোসেন চৌধুরী বাচ্চু বলেন, মহান নেতাদের ত্যাগের কারণে এই চট্টগ্রামকে বলা হতো এমএ আজিজ-জহুর আহমেদ চৌধুরীর চট্টগ্রাম। এমএ মান্নান-মহিউদ্দিন চৌধুরীর চট্টগ্রাম। তাদের কাছে প্রকৃত কর্মীর মূল্যায়ন ছিল। কিন্তু আজকাল দল ভারী করার জন্যে অনেক নেতাই আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের অসম্মান করে জামায়াত-বিএনপির নেতা-কর্মীদের সাথে রাখেন। অনেকে বোল পালটে রাতারাতি আওয়ামী লীগ বনে গেছেন।

উপস্থিত ছিলেন নগর যুবলীগ নেতা অলিউর রহমান সোহেল, আবদুল হান্নান, হারুনুর রশিদ আলম, একরাম রানা, মো. জাবেদ, জহির উদ্দিন সুমন, দেলোয়ার হোসেন সুমন, মো. রাশেদ চৌধুরী, এসইউ জোবায়ের, মো. দেলোয়ার, আমিনুর ইসলাম আজাদ, এমআর কামরুল, মনজুরুল আলম রিমু, মো. আলমগীর, ইয়াছিন ভূঁইয়া, মো. ইকবাল, সিজার বড়ুয়া, মো. হারুন বাবর, ইমরান আলী রাজু, জাহিদুল ইসলাম সুমন, মো. সাব্বির, সোহেল রানা, অভি দেব, বিমল দাশ, মিথুন দাশ, জনি দাশ, মো. জাহাঙ্গীর, মো. কবির প্রমুখ।


আরোও সংবাদ