এক পশলা স্বস্তির বৃষ্টি এল বৃষ্টি

প্রকাশ:| শুক্রবার, ২৫ এপ্রিল , ২০১৪ সময় ১০:২৫ অপরাহ্ণ

স্বস্তির বৃষ্টিগ্রীষ্মের শুরু থেকেই প্রচণ্ড গরমে মানুষ অতিষ্ঠ। গত কয়েক দিনে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বাতাস আরও বেশি উষ্ণ হয়ে ওঠে। ঘরেবাইরে গরমে হাঁসফাঁস করতে থাকে থাকে মানুষ।

ঠিক সেসময় এল শীতল হাওয়ার পরশ নিয়ে এক পশলা স্বস্তির বৃষ্টি এল বৃষ্টি।

শুক্রবার বিকেলে মৌলভীবাজার ও নারায়ণগঞ্জে দেখা মিলল বৃষ্টির। শুধুই বৃষ্টিই নয়, সঙ্গে ঝড়ো হাওয়া আর শিলাও ছিল। বৃষ্টি হয়েছে কিশোরগঞ্জের ভৈরব এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়ায়ও।

প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর :

মৌলভীবাজার : শুক্রবার বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে মৌলভীবাজারের বিভিন্ন এলাকায় বৃষ্টি হয়েছে। জেলার গ্রামাঞ্চলে বৃষ্টি স্থায়ী ছিল ১০ থেকে ১৫ মিনিট। সামান্য এ বৃষ্টিতে জেলার মানুষের মাঝে কিছুটা স্বস্তি নেমে এসেছে।

নারায়ণগঞ্জ : নারায়ণগঞ্জে বৈশাখ মাসের প্রথম বৃষ্টি হচ্ছে, সঙ্গে শিলও পড়েছে। বিকাল পৌনে ৫টার দিকে এ শিলাবৃষ্টি শুরু হয়।

ভৈরব : ভৈরবের মাহমুদ মোস্তবা জানান, শুক্রবার দুপুর ২টার দিকে ভৈরবে হালকা শিলাসহ ঝড়োবৃষ্টি হয়েছে। বৃষ্টির স্থায়িত্ব ছিল আধা ঘণ্টার বেশি।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া : ব্রাহ্মণবাড়িয়ায়ও একই ধরনের বৃষ্টি হয়েছে। এর স্থায়িত্ব ছিল প্রায় ৪৫ মিনিট।

শুক্রবার দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় চুয়াডাঙ্গায় ৪১.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

আবহাওয়া অফিস জানায়, রংপুর ও রাজশাহী বিভাগ ছাড়া অন্য এলাকায় বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা আছে।

রাজধানীতে রাত পোহালেই বৃষ্টি হতে পারে

রাজধানীতে রাতের মধ্যে তাপমাত্রা কমে যাবে। শনিবার সকাল থেকে বৃষ্টি ও বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

শুক্রবার রাত পৌনে ৮টায় এটিএন টাইমসকে এ সম্ভাবনার কথা জানান আবহাওয়া অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক আয়শা খাতুন।

তিনি বলেন, হালকা বাতাস এবং দেশের কয়েকটি স্থানে বৃষ্টি হওয়ার কারণে ঢাকার তাপমাত্রা কমতে শুরু করেছে।

শুক্রবার সকাল থেকে রাজধানীতে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৩৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বৃহস্পতিবার ৪০ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ঢাকায়। একই দিন যশোরে তা ছিল ৪২ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

শুক্রবার দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্র ছিল চুয়াডাঙ্গায় ৪১ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা গত বছরের এপ্রিলের ৪১ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের রেকর্ড ভঙ্গ করে।

আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, ঢাকা, টাঙ্গাইল, ফরিদপুর, রাজশাহী, ঈশ্বরদী, খুলনা, মংলা, যশোর ও চুয়াডাঙ্গা অঞ্চলসমূহের ওপর দিয়ে তীব্র তাপপ্রবাহ এবং দেশের অন্যত্র মৃদু তাপ প্রবাহ বয়ে যাচ্ছে।