এক দফা দাবিতে আন্দোলন শুরু হবে ডা.শাহাদাত হোসেন

প্রকাশ:| মঙ্গলবার, ১০ সেপ্টেম্বর , ২০১৩ সময় ০৮:৪৩ অপরাহ্ণ

ctg dr sদীর্ঘদিন ধরে নগর যুবদলের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক বিভক্ত হয়ে দলীয় কর্মসূচি পালন করে এলেও এবার একসঙ্গে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন তারা।

মঙ্গলবার বিকেল নগরীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার চত্ত্বরে অনুষ্ঠিত এক সমাবেশে এ ঘোষণা দেন সভাপতি কাজী বেলাল উদ্দিন ও সাধারণ সম্পাদক মোশাররফ হোসেন দিপ্তী।

বেগম খালে জিয়া ও তারেক রহমানের কারামুক্তি দিবস উপলক্ষে এ সমাবেশ ও শোভাযাত্রার আয়োজন করে মহানগর যুবদল। সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ডা.শাহাদাত হোসেন।

সভাপতির বক্তব্যে কাজী বেলাল বলেন, আগামীতে সরকার বিরোধী যে আন্দোলন কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে তা সফল করতে হলে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।

এখন থেকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ না করলে আন্দোলনে সফল হওয়া যাবে না উল্লেখ করে তিনি বলেন,‘চট্টগ্রামে নগর বিএনপির সভাপতি আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক ডা.শাহাদাত হোসেনের নেতৃত্বে আন্দোলন সংগ্রামে চালিয়ে যাবে।‘

মোশারফ হোসেন দীপ্তি বলেন, আজ থেকে মহানগর যুবদলের নতুন যাত্রা শুরু হলো। এখন থেকে আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধভাকে কাজ করবো।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডা.শাহাদাত হোসেন বলেন, আগামীতে এক দফা দাবিতে আন্দোলন শুরু হবে। তত্বাবধায়ক সরকারের দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আমরা ঘরে ফিরে যাবো না।

তিনি বলেন,‘আন্দোলন সফল করতে আমরা রক্ত দিতে রাজি আছি। জেলে যেতেও রাজি। আন্দোলনের মাধ্যমে সরকারের দুর্নীতির বিরুদ্ধে জবাব দিতে হবে।‘

উল্লেখ্য, নগর যুবদলের কমিটি ঘোষণার পর নগর বিএনপিতে বিরোধ দেখা দেয়। এতে সভাপতি আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক ডা.শাহাদাত হোসেন পাল্টাপাল্টি বক্তব্য দেন। কমিটির বাতিলের দাবিতে শুরু হয় আন্দোলন।

অসন্তোষ, আন্দোলন ও বিএনপি নেতাদের বিরোধের জেরে এক পর্যায়ে নগর যুবদলের এ কমিটি স্থগিতের আদেশ দেন দলের চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। এরপর বেশ কিছুদিন যুবদলের কার্যক্রম বন্ধ ছিল।

সম্প্রতি তিন ভাগে বিভক্ত হয়ে কর্মসূচি পালন করে আসছিল তারা। এক এক পক্ষের দাবি নগরীতে যুবদলের কোন কমিটি নেই। অপর দুই পক্ষ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক দলের ব্যানারেই কর্মসূচি পালন করছে।

নগর বিএনপির সভাপতি আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর ঘনিষ্ট হিসেবে পরিচিত কাজী বেলাল এক সঙ্গে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করে মূলত নগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ডা.শাহাদাত হোসেনের পক্ষ হয়ে কাজ শুরু করেছেন বলে মনে করছেন নেতা-কর্মীরা।