এক তরফা নির্বাচন করতে দেয়া হবে না-খালেদা জিয়া

প্রকাশ:| শনিবার, ৫ অক্টোবর , ২০১৩ সময় ০৫:৪৭ অপরাহ্ণ

নির্বাচন ঠেকাতে পাড়ায় পাড়ায় জনগণকে নিয়ে ১৮ দলীয় জোটের সংগ্রাম কমিটি গঠন করা হবে
খালেদা জিয়াআওয়ামী লীগের অধীনে এক তরফা নির্বাচন ঠেকানোর ঘোষণা দিয়ে বিরোধী দলের নেতা বেগম খালেদা জিয়া বলেছেন, তারা এক তরফা নির্বাচন করতে চাইছে। কিন্তু এ ধরনের নির্বাচন করতে দেয়া হবে না। এই নির্বাচন ঠেকাতে পাড়ায় পাড়ায় জনগণকে নিয়ে ১৮ দলীয় জোটের সংগ্রাম কমিটি গঠন করা হবে। কিছুতেই আওয়ামী লীগের অধীনে নির্বাচন হতে দেয়া হবে না। বিকালে সিলেটের সরকারি আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে ১৮ দলীয় জোট আয়োজিত জনসভায় তিনি একথা বলেন।
বিরোধী নেতা বেগম খালেদা জিয়া রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের সমালোচনা করে বলেন, এটি ভিত্তি প্রস্তর স্থাপনেই থাকবে। বাস্তবায়ন হবে না।খালেদা জিয়া বলেন, রামপালের কারণে সুন্দরবন ধংস হবে। এটি দেশবাসী করতে দেবে না।
সরকারের সমালোচনা করে বিরোধী নেত্রী বলেন, তারা সরকারি ব্যাংক লুট করেছে। সরকারি ব্যাংকগুলো এখন দেউলিয়া। শুধু সোনালী ব্যাংককে আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে ৩০৯ বছর লাগবে। তারা দেশের সবকিছু শেষ করে দিয়েছে। তারা আবার বলছে সুযোগ দেয়ার জন্য। তাদের আবার সুযোগ পেলে সব শেষ করে দেবে। কিছুই থাকবে না। তাই তাদের আর সুযোগ দেয়া যাবে না। সাপকে বিশ্বাস করা যায় কিন্তু আওয়ামী লীগকে বিশ্বাস করা যায় না।
বিডিআর বিদ্রোহের সময় সরকারের অবস্থানের সমালোচনা করে খালেদা জিয়া বলেন, একদিকে অফিসারদের মারা হয়েছে। অন্যদিকে খুনিদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী নাস্তা করেছেন। অফিসারদের বাঁচাতে কোন গুলি খরচ করা হয়নি।
হেফাজতে ইসলামের সমাবেশে সরকারের অভিযানের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, নবী সা. এর ভালাবাসা নিয়ে সাধারণ মুসল্লিরা ঢাকা গিয়েছিলেন। কিন্তু রাস্তার বাতি নিভিয়ে তাদের ওপর আক্রমন চালানো হয়েছে। দেড় লাখ গুলি করা হয়েছে। আলেম উলামাদের হত্যা করা হয়েছে। আলেমদের শান্তিপূর্ণ সমাবেশে দেড় লাখ গুলি করা হলো, কিন্তু বিডিআর অফিসারদের রক্ষায় একটি গুলিও খরচ করা হলো না কেন?
সিলেটে মেয়েদের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় ও ইঞ্জিনিয়ারিং বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের প্রতিশ্রুতি দিয়ে বলেন, আমরা সিলেলে অনেক উন্নয়ন করেছি। ক্ষমতায় গেলে আরও উন্নয়ন করবো।
তিনি বলেন, আমরা প্রতিবেশীদের সঙ্গে সুসম্পর্ক রাখতে চাই। প্রতিবেশীরা যদি বিএনপি ও ১৮ দলীয় জোটের সঙ্গে সম্পর্ক রক্ষা করে তাহলে বেশি লাভবান হবে। কারণ ১৮ দলের সঙ্গে দেশের জনগণ আছে।