একুশে ফেব্রুয়ারি আমাদের গর্বের ও অহংকারের ধন

প্রকাশ:| সোমবার, ২০ ফেব্রুয়ারি , ২০১৭ সময় ০৯:২৭ অপরাহ্ণ

বাংলা ভাষা বিশ্ব দরবারে শ্রদ্ধার সঙ্গে পালিত হচ্ছে উল্লেখ করে বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা সৈয়দ ওয়াহিদুল আলম বলেছেন, মহান একুশে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস আমাদের গর্বের ও অহংকারের

তিনি বলেন, তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের দেশপ্রেমিক সাহসী সন্তানরা মায়ের ভাষা জন্য রাজপথে নেমেছিলেন। সেদিন সালাম, জব্বার, রফিকের মত অনেককেই মাতৃভাষার জন্য প্রাণ দিতে হয়েছে। তাদের কারণে আজ আমরা আমাদের মাতৃভাষা বাংলা পেয়েছি।

সোমবার বিকেলে নগরীর বিএনপির দলীয় কার্যালয় নাসিমন ভবনে অনুষ্ঠিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ও শহীদ দিবস উপলক্ষ্যে নগর বিএনপি এ আলোচনা সভার আয়োজন করে।

নগর বিএনপির সভাপতি ডা.শাহাদাত হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর, বিশেষ অতিথি সিনিয়র সহ-সভাপতি আবু সুফিয়ান।

সভাপতি বক্তব্যে ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, বিশ্বের কোন দেশের মানুষকে ভাষার জন্য সংগ্রাম করতে হয়নি, প্রাণও দিতে হয়নি। শুধু আমাদের দেশে মাতৃভাষা বাংলার জন্য প্রাণ দিতে হয়েছে। ফলে আমরা মাতৃভাষা বাংলা পেয়েছি।

বায়ন্নর ভাষা আন্দোলনের পথ ধরেই এদেশের স্বাধিকার আন্দোলনের সূত্রপাত হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ৬৯’র গণঅভ্যূত্থান, ১৯৭১ সালে মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের মাধ্যমে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা হয়। এর মাধ্যমেই স্বাধীনতার সূর্য ছিনিয়ে এনেছিল দেশের মুক্তিকামী জনতা।

সিনিয়র সহসভাপতি আবু সুফিয়ান বলেন, ১৯৫২ সালে সালাম, জব্বার, রফিকসহ অসংখ্য দেশপ্রেমিক যুবকের রক্তের বিনিময়ে মাতৃভাষার দাবিকে প্রতিষ্ঠিত করেছিল।

গণতন্ত্র, ভোটাধিকার, বাক স্বাধীনতা ফিরে পেতে রক্ত দেওয়ার প্রস্তুতি নিয়ে মাঠে নামতে নেতা-কর্মীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, রক্ত ছাড়া কোন আন্দোলন-সংগ্রাম সফল হয়নি।

প্রধান বক্তার বক্তব্যে নগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর বলেন, গণতন্ত্র ছাড়া উন্নয়ন অর্থহীন। গণতন্ত্র ও উন্নয়ন একটির বিকল্প আরেকটি হতে পারে না। তাই গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের স্বার্থে সুষ্ঠু নির্বাচন প্রয়োজন। কিন্তু বর্তমান সরকারের বিরোধীদল দমনে হিংসার রাজনীতিতে সারা দেশটাকে এখন কারাগারে পরিণত করেছে।

সভায় অন্যান্যের মধ্যে সাবেক কমিশনার সামশুল আলম, এম এ আজিজ, এস এম সাইফুল আলম, শেখ নুরুল্লাহ বাহার, কাজী বেলাল উদ্দিন, মো. আলী, ইস্কান্দর মির্জা, সবুক্তগীন ছিদ্দিকী মুক্কী, হারুন জামান, সামশুল আলম, ইকবাল চৌধুরী, আর ইউ চৌধুরী শাহীন, ইয়াছিন চৌধুরী লিটন, আনোয়ার হোসেন লিপু, অধ্যাপক নুরুল আলম রাজু, জাহাঙ্গীর আলম দুলাল, আব্দুল মান্নান, ফাতেমা বাদশা, মনোয়ারা বেগম মনি, জি এম আইয়ুব খান, মো. সালাহ উদ্দিন, কামরুল ইসলাম, গাজী মো. সিরাজ উল্লাহ, সিহাব উদ্দিন মোবিন, এইচ এম রাশেদ খান, সোহরাব কোম্পানী, মঞ্জুর রহমান চৌধুরী, নবাব খান, হানিফ সওদাগর, আকতার খান, এস.এম. জিয়া আকবর, মোঃ সালাহ উদ্দিন, জসিম উদ্দিন জিয়া প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।


আরোও সংবাদ