একযোগে উন্নয়নকাজ চলায় নালা ভরাট হয়ে জলজট

প্রকাশ:| বৃহস্পতিবার, ৬ এপ্রিল , ২০১৭ সময় ১১:১৮ অপরাহ্ণ

সরকারের অন্যান্য সেবা সংস্থাগুলোর উন্নয়নকাজের জন্য সাময়িক জলাবদ্ধতা ও ভাঙা সড়কের বদনাম নিতে হচ্ছে মন্তব্য করে মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন বলেছেন, একযোগে নগরীতে অনেক উন্নয়ন কর্মকাণ্ড চলায় নালা ভরাট হয়ে হঠাৎ বৃষ্টিতে জলজট হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার (০৬ এপ্রিল) চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের ইঞ্জিনিয়ার আবদুল খালেক মিলনায়তনে টেলিভিশন সাংবাদিকদের তিন দিনের বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ কর্মশালার সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মেয়র এসব কথা বলেন। বাংলাদেশ প্রেস ইনস্টিটিউট (পিআইবি)টিভি জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন চিটাগংয়ের সহযোগিতায় এ কর্মশালার আয়োজন করে।

সিডিএসহ সংশ্লিষ্টদের চিঠি দিয়ে বিষয়গুলো নজরে আনা হচ্ছে জানিয়ে মেয়র বলেন, এখন যখন বৃষ্টি হয় তখন কিছুটা পানি জমে। কিন্তু বৃষ্টি বন্ধ হবার কিছুক্ষণের মধ্যেই পানি সরে যায়।

তিনি নগরীকে আধুনিক ও সবার বাসযোগ্য হিসেবে গড়ে তুলতে সাংবাদিকদের আন্তরিক সহযোগিতাও কামনা করেন।

পিআইাবির মহাপরিচালক মো. শাহ আলমগীরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন টিভি জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন চিাটাগংয়ের (টিজেএসি) সভাপতি আলী আব্বাস, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) সহসভাপতি শহীদুল আলম, চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনয়িনের (সিইউজে) সভাপতি রিয়াজ হায়দার, চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক শুকলাল দাশ ও বিএফইউজের যুগ্ম মহাসচিব তপন চক্রবর্তী। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন টিভি জার্নালিস্টস অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক শাহনেওয়াজ রিটন।

মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন বলেন, প্রশিক্ষণের কোনো বিকল্প নেই। আর সাংবাকিতার মতো পেশায় তা আরও বেশি জরুরি। কারণ তাদের কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে জনগণ সরাসরি উপকৃত হয়। তাই কাজের ক্ষেত্রে আরও দক্ষ হতে টিজেএসির এ উদ্যোগ সময়োপযোগী।

এ সময় নগরীর সামগ্রিক কিছু সংকট নিয়েও কথা বলেন সিটি মেয়র। তিনি বলেন, মেয়র হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার এক বছর আট মাসে তিনি সাধ্যমতো চেষ্টা করেছেন শহরটাকে নান্দনিকভাবে সাজাতে।

তিন দিনের এ কর্মশালায় টেলিভিশন সাংবাদিকতার নানা দিক নিয়ে প্রশিক্ষণ দেন একাত্তর টিভির পরিচালক (বার্তা) সৈয়দ ইশতিয়াক রেজা, যমুনা টিভির সাবেক বার্তা প্রধান নাজমুল আশরাফ, ডিবিসির ডেপুটি ব্রডকাস্ট ম্যানেজার একেএম শরীফুল ইসলাম শিমুল। এতে চট্টগ্রামে কর্মরত দেশের ২১টি টিভি চ্যানেলের ৪০ জন রিপোর্টার ও ক্যামেরাপারসন অংশ নেন। সিটি মেয়র তাদের হাতে সনদ তুলে দেন।