একতরফা নির্বাচন দেশকে সংকটে ফেলবে: সেলিম

প্রকাশ:| সোমবার, ১৮ নভেম্বর , ২০১৩ সময় ০৯:২১ অপরাহ্ণ

সেলিম
জোট-মহজোটের বাইরে বিকল্প রাজনৈতিক শক্তির বলয় গড়ে তোলার পক্ষে অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেছে সিপিবি ও বাসদ।

রোববার জাতীয় প্রেসক্লাবে ‘সংঘাত নয়, সমঝোতা চাই’ শীর্ষক এক নাগরিক সমাবেশে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি) ও বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দলের (বাসদ) নেতারা এ অবস্থান জানান।

ওই অনুষ্ঠানে সিপিবি-বাসদ নির্বাচনে যাওয়ার পক্ষে অবস্থান জানিয়েছে বলে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমে সংবাদ প্রকাশিত হয়।

তবে সিপিবি সভাপতি সেলিম তার বক্তব্যের ব্যাখ্যায় বলেন, “একতরফা নির্বাচন দেশকে সংকটে ফেলবে। আমরা সেই পরিস্থিতি চাই না।”

তিনি বলেন, সব দলের অংশগ্রহণে নির্বাচন হলে জোট-মহাজোটের বাইরে বিকল্প শক্তির বলয় গড়ে তুলতে নিজস্ব প্রতীকে নির্বাচনে অংশ নেবেন তারা।

এদিকে এক ফেসবুক স্ট্যাটাসে সেলিম বলেন, জামায়াতে ইসলামী ছাড়া অন্য সব দলের অংশগ্রহণ নিশ্চিত হলেই তারা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।

“কোনো একতরফা নির্বাচনে আমরা অংশ নেব না।”

রোববারের অনুষ্ঠানে বক্তব্যে দুই প্রধান দলের জোটসঙ্গীদের নিয়েই সমালোচনা করেন সিপিবি সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম।

তিনি বলেন, “রাজাকার ও স্বৈরাচারকে আমরা ঘৃণা করি। জোট-মহাজোটের দুঃশাসন থেকে দেশকে মুক্ত করতে চাই।”

“পাকিস্তানি ভুতেরা দেশকে সাম্প্রদায়িক রাষ্ট্র বানাতে চায়। আগে হরতালে পুলিশের গুলিতে মানুষ মারা যেত, এখন তথাকথিত আন্দোলনকারীদের হাতে মানুষের প্রাণ দিতে হচ্ছে।”

প্রধান বিরোধী দল বিএনপি নির্বাচনের সময় নির্দলীয় সরকারকে ক্ষমতায় চায়। অন্যদিকে নির্বাচনকালীন সর্বদলীয় মন্ত্রিসভা গঠন করছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ।

দুই প্রধান দলের মধ্যে সমঝোতার লক্ষ্যে শেখ হাসিনা ও খালেদা জিয়ার সঙ্গে বৈঠকও করেছিলেন সিপিবি ও বাসদের নেতারা।

ওই অনুষ্ঠানেও নির্বাচনকালীন সরকার নিয়ে প্রধান দুই দলের প্রতি সমঝোতার আহ্বান জানান তারা।

সভায় সিপিবির উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য মনজুরুল আহসান খান, বাসদের সম্পাদক খালেকুজ্জামান, বজলুর রশীদ ফিরোজ, আইনজীবী শাহদীন মালিক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক কাবেরী গায়েন বক্তব্য রাখেন।