একই ধরনের গ্রেনেড চট্টগ্রামে জঙ্গিদের কাছ থেকে…

প্রকাশ:| শনিবার, ২৪ অক্টোবর , ২০১৫ সময় ০৮:০৪ অপরাহ্ণ

একই ধরনের গ্রেনেডহোসনি দালানে হামলায় ব্যবহৃত গ্রেনেডের মতো একই ধরনের গ্রেনেড চলতি বছরেই চট্টগ্রামে জঙ্গিদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছিল বলে জানিয়েছে র‍্যাব। সংস্থাটি জানায়, চলতি বছরের এপ্রিলে রাজধানীর উপকণ্ঠে আশুলিয়াতেও একটি ব্যাংক ডাকাতির সময় একই ধরনের গ্রেনেড ব্যবহার করা হয়েছিল।
আর ঢাকা মহানগর পুলিশ জানিয়েছে, গতকাল শুক্রবার ভোরে কামরাঙ্গীরচরের শিবিরের একটি আস্তানায় অভিযান চালিয়েও তাঁরা একইরকম সাতটি গ্রেনেড উদ্ধার করেছে। র‍্যাবের অতিরিক্ত মহাপরিচালক কর্নেল জিয়াউল আহসান প্রথম আলোকে বলেন, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি ও এপ্রিলে চট্টগ্রামে হামজা ব্রিগেড বলে যে জঙ্গি সংগঠনটিকে বিপুল অস্ত্র ও গোলাবারুদসহ র‍্যাব গ্রেপ্তার করেছিল তাদের কাছ থেকেও একই ধরনের গ্রেনেড পাওয়া গিয়েছিল। চলতি বছরের ২১ এপ্রিল আশুলিয়ার কাঠগড়ায় কমার্স ব্যাংকের ডাকাতির ঘটনাতেও জঙ্গিরা একই ধরনের গ্রেনেড ব্যবহার করে।
র‍্যাব সূত্রগুলো জানায়, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি ও এপ্রিল মাসে কয়েক দফা অভিযান চালিয়ে চট্টগ্রাম থেকে হামজা ব্রিগেডের ২৪ জন সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের কাছ থেকে পাঁচটি একে-২২ রাইফেলসহ প্রচুর অস্ত্র ও বিস্ফোরক উদ্ধার করা হয়েছিল। এর মধ্যে এ ধরনের গ্রেনেডও ছিল।
গত ২১ এপ্রিল আশুলিয়ার কাঠগড়া বাজারের কমার্স ব্যাংকের শাখায় ওই হামলার ঘটনায় দুই ডাকাতসহ নয়জন নিহত ও ১৬ জন আহত হয়েছিলেন। ডাকাতেরা গ্রেনেড হামলা চালিয়ে, গুলি করে, ছুরি মেরে মানুষজনকে হতাহত করে। পরে ঢাকা জেলা পুলিশের তদন্তে বেরিয়ে আসে ওই ঘটনার সঙ্গে নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন জেএমবি জড়িত। পুলিশ টঙ্গীতে জেএমবির একটি আস্তানা থেকে অস্ত্র ও বিস্ফোরকও উদ্ধার করে। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত বেশ কয়েকজন জেএমবি জঙ্গিকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এদিকে ঢাকা মহানগর পুলিশের কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া বলেন, গত বৃহস্পতিবার রাতে রাজধানীর গাবতলীতে একটি তল্লাশি চৌকিতে দারুস সালাম থানার এএসআই ইব্রাহিম মোল্লা হত্যার সঙ্গে জড়িত একজনের তথ্যেও ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে কামরাঙ্গীরচরের একটি বাসা থেকে সাতটি গ্রেনেড উদ্ধার করে পুলিশ। ঢাকা মহানগর পুলিশের কমিশনার বলেন, কামরাঙ্গীরচরের উদ্ধার হওয়া গ্রেনেডগুলোর মতো একই গ্রেনেড হোসনি দালানে হামলায় ব্যবহৃত হয়। তিনি বলেন, এ থেকে ধারণা করা হয় এএসআই হত্যার সঙ্গে যারা জড়িত তারাই ওই হামলা চালিয়েছে।