এএসপি হলেন হাটহাজারী মডেল থানার ওসি মোহাম্মদ ইসমাইল

প্রকাশ:| রবিবার, ২৪ জুলাই , ২০১৬ সময় ১১:৫৬ অপরাহ্ণ

হাটহাজারী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ ইসমাইল পিপিএম(বার) সহকারী পুলিশ সুপার(এএসপি) পদে পদোন্নতি লাভ করেছেন। রাস্ট্রপতির আদেশক্রমে গত ১৬ জুলাই স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পুলিশ অধিশাখার উপসচিব মোহাম্মদ ইলিয়াস হোসেন এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপণ জারি করে।

ওসি মোহাম্মদ ইসমাইলএএসপি মোহাম্মদ ইসমাইল পিপিএম(বার) কুমিল্লা জেলার দেবীদ্বার থানাধীন ভবনীপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। পিতা মৃত হাজী আবদুল মালেক সরকার ও মাতা জুলেখা খাতুন। ৬ বোন ও ৩ ভাই এর মধ্যে তিনি ২য়। তাঁর ২ ছেলে ও ১ মেয়ে রয়েছে। বড় ছেলে শাহীদ হাসান সৌরভ মেডিকেল ৫ম বর্ষের ছাত্র, ছোট ছেলে নূরসারী হাসান সিহাম সম্প্রতি এইচএসসি পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেছে। একমাত্র মেয়ে ইরফিত জাহান এরিকা ৪র্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী।

মোহাম্মদ  ইসমাইল ১৯৭৯ খ্রিস্টাব্দে এসএসসি(বিজ্ঞান), ১৯৮১ খ্রিস্টাব্দে এইচএসসি(বিজ্ঞান) ও ১৯৮৩ খ্রিস্টাব্দে বিএসসি পরীক্ষায় সফলতার সাথে উত্তীর্ণ হয়ে ১৯৮৭ ডিসেম্বর মাসে সরাসরি এসআই পদে বাংলাদেশ পুলিশে নিয়োগ পান। পুলিশ একাডেমী সারদায় একবছর ট্রেনিং শেষে ০৯ জানুয়ারী ১৯৮৯ সালে হবিগঞ্জ জেলার বিভিন্ন ইউনিটে ২ বৎসর শিক্ষানবিশ এসআই হিসাবে প্রশিক্ষন গ্রহন করেন। এরপর এসআই হিসাবে তিনি হবিগঞ্জ সদর থানায় কাজ শুরু করে সর্বশেষ ২২ডিসেম্বর২০১৩ খ্রিস্টাব্দ থেকেহাটহাজারী মডেল থানায় অফিসার ইনচার্জ হিসেবে দক্ষতা ও সুমানের সাথে দায়িত্ব পালন করে আসছেন।
মোহাম্মদ  ইসমাইল সরাইল থানায় কর্মরত অবস্থায় ২০০৪ সালে ডাকাত গ্রেফতার ও ডাকাতির মামলার রহস্য উদ্ঘাটন করায় আইজিপি ব্যাজ পদক লাভ করেন। একই কাজে বি-বাড়ীয়া সদর থানায় কর্মরত থাকাকালীন ২০০৫ সালে আইজিপি ব্যাজ পদক লাভ করেন। ০০৬ সালে বিবাড়ীয়ায় ত্রিপল মার্ডার মামলার ঘটনাকারী ০৭ জন আসামীকে গ্রেফতার করেন ও কাঃ বিঃ ১৬৪ ধারা মোতাবেক স্বীকারোক্তি মূলক জবানবন্দী প্রদানের ব্যবস্থা করেন। ওই মামলায় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল ০৯ জন আসামীকে ফাঁসীর আদেশ দেওয়ায় তিনি রাষ্ট্রপতির পিপিএম(সেবা) পদক লাভ করেন। ২০০৯ খ্রিস্টাব্দে রাউজান থানার ৮৭ জন ডাকাত ও তালিকাভূক্ত সন্ত্রাস গ্রেফতার করা এবং গুরুত্বপূর্ণ মামলার রহস্য উদ্ঘাটন করায় তিনি আইজিপি ব্যাজ পদক লাভ করেন। ২০১০ খ্রিস্টাব্দে হাটহাজারী মডেল থানায় ৩৮ মামলার আসামী ডাকাত সর্দার খলিল ও তাহার সহযোগীকে বিপুল পরিমান অস্ত্র ও গুলি সহ গ্রেফতার করার কারণে এবং ২০টি গুরুত্বপূর্ণ মামলার রহস্য উদ্ঘাটন করায় তিনি পিপিএম সাহসিকতা পদক লাভ করেন। তিনি ২০০২ সাল থেকে বিভিন্ন থানায় দক্ষতা ও সুনামের সাথে অফিসার ইনচার্জ হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন।
পদোন্নতি পাওয়ার পতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে মোহাম্মদ  ইসমাইল বলেন বেশ ভালো লাগছে,  রাষ্ট্র কর্তৃক অর্পিত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন ও মানুষের সেবা করার জন্য এএসপি মোহাম্মদ  ইসমাইল সকলের সহযোগীতা ও দোয়া প্রার্থনা চেয়েছেন।