ঋণ খেলাপীর মামলায় তারেক কোকোসহ ১২ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে জবাব দাখিলের নির্দেশ

প্রকাশ:| মঙ্গলবার, ২০ আগস্ট , ২০১৩ সময় ০২:০৩ অপরাহ্ণ

tarek-koko_gঋণ খেলাপীর মামলায় বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান, তার ভাই আরাফাত রহমান কোকোসহ ১২ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর জবাব দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

ওইদিন বিবাদীপক্ষ জবাব দাখিলে ব্যর্থ হলে মামলাটি একতরফা শুনানির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার মামলাটির সময় আবেদনের উপর শুনানি শেষে ঢাকার প্রথম অর্থঋণ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ রবিউজ্জামান এ আদেশ দেন।

এদিন মামলার ৬ নম্বর বিবাদী গিয়াস উদ্দিন আল মামুন ও তার স্ত্রী ৮ নম্বর বিবাদী শাহিনা ইয়াসমিনের পক্ষে জবাব দাখিলের জন্য সময়ের আবেদন করা হয়।

মামলার ওপর বিবাদী প্রয়াদ সাঈদ ইস্কান্দারের স্ত্রী নাসরিন আহমেদের পক্ষে জবাব দাখিল করা হয়। বাকি বিবাদীদের কেউই মামলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন না।

জবাব দাখিলের জন্য প্রাপ্য সময় অতিবাহিত হওয়ায় বিচারক গিয়াস উদ্দিন আল মামুনের সময়ের আবেদন নাকচ করে দেন। তবে তার স্ত্রী শাহিনা ইয়াসমিনের আবেদন মঞ্জুর করেন।

এছাড়াও মামুনের পক্ষে মামলা খারিজের আবেদন করা হলে বিচারক তা নথিভুক্ত রাখেন।

৪৫ কোটি টাকা খেলাপী ঋণের মামলার বিবাদী প্রতিষ্ঠান হলো ড্যান্ডি ডায়িং লি. এবং ব্যক্তি হলেন শামস এস্কান্দার, সাফিন এস্কান্দার, সুমাইয়া এস্কান্দার, তারেক রহমান, গিয়াস উদ্দিন আল মামুন, আরাফাত রহমান কোকো, শাহীনা ইয়াসমিন, বেগম নাসরিন আহমেদ, কাজী গালিব আহমেদ, শামসুন নাহার ও মাসুদ হাসান।

মামলার ১০ নম্বর বিবাদী মোজাফফর আহমেদ মারা যাওয়ায় তার স্ত্রী শামসুন্নাহার ও ছেলে মাসুদ হাসানকে এ মামলায় বিবাদীভূক্ত করা হয়।

গত বছরের ২ অক্টোবর ঢাকার প্রথম অর্থঋণ আদালতে মামলাটি করেন সোনালী ব্যাংকের স্থানীয় কার্যালয় শাখার সিনিয়র নির্বাহী কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম।

৪৫ কোটি ৫৯ লাখ ৩৭ হাজার ২৯৫ টাকা ঋণ খেলাপীর অভিযোগে এ মামলাটি দায়ের করা হয়।

মামলায় অভিযোগ করা হয়, বিবাদীরা ডান্ডি ডাইংয়ের পক্ষে ১৯৯৩ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি সোনালী ব্যাংকে ঋণের জন্য আবেদন করেন।

ওই বছরের ৯ মে সোনালী ব্যাংক বিবাদীদের আবেদনকৃত ঋণ মঞ্জুর করেন।

২০০১ সালের ১৬ অক্টোবর বিবাদীদের আবেদনক্রমে ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ সুদ মওকুফ করেন। এরপর ঋণ পুন তফসিলিকরণও করা হয়।

কিন্তু বিবাদীরা ঋণ প্রদান না করে বরাবর কালক্ষেপন করতে থাকে। মামলায় আরও অভিযোগ করা হয়, ২০১০ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি ব্যাংকের পক্ষ থেকে ঋণ পরিশোধের জন্য চূড়ান্ত নোটিশ প্রদান করা হলেও বিবাদীরা কোনো ঋণ পরিশোধ করেননি।