ঋণ আবেদন ১০ দিনে নিষ্পত্তি

প্রকাশ:| বৃহস্পতিবার, ২৫ জুলাই , ২০১৩ সময় ১১:২৮ অপরাহ্ণ

শস্য, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে ঋণ বিতরণকে অগ্রাধিকার দিয়ে নতুন কৃষি ও পল্লী ঋণ নীতিমালা ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ঋণব্যাংক।ঋণ আবেদন ১০ দিনে নিষ্পত্তি

ব্যাংকগুলোর জন্য এবার ১৪ হাজার ৫৯৫ কোটি টাকা ঋণ বিতরণ লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এবারের নীতিমালায় কেঁচো কম্পোস্ট, সার ও বীজ সংরক্ষণসহ বেশ কিছু বিষয় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সভাকক্ষে গভর্নর ড. আতিউর রহমান চলতি অর্থবছরের জন্য নতুন নীতিমালা ঘোষণা করেন।

নীতিমালা ঘোষণা অনুষ্ঠানে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর প্রধান নির্বাহী ছাড়াও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর এস. কে. সুর চৌধুরী, ব্যাংকের প্রধান নির্বাহীদের সংগঠন এবিবির চেয়ারম্যান নুরুল আমিনসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকে ব্যাংকগুলোর পক্ষ থেকে ঋণ বিতরণের ওপর সাধারণ সঞ্চিতি (প্রভিশন) ৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১ শতাংশ নির্ধারণ অথবা ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প ঋণের মতো শূন্য দশমিক ২৫ শতাংশ প্রভিশনের নিয়ম করার দাবি জানানো হয়।

তবে এ ধরনের ঋণে ঝুঁকির কথা বিবেচনায় এনে কেন্দ্রীয় ব্যাংক এখনই সাধারণ প্রভিশন সংরক্ষণে কোনো পরিবর্তন আনছে না বলে জানানো হয়।

নতুন নীতিমালায় বলা হয়েছে, কোনো ঋণ আবেদন বিবেচনা করা না গেলে ঋণ না পাওয়ার কারণ উল্লেখ করে কৃষককে জানাতে হবে। একই সঙ্গে সে বিষয়টি ব্যাংকের সংরক্ষণে রাখতে হবে।

কৃষকের ঋণ আবেদন সর্বোচ্চ ১০ কর্মদিবসের মধ্যে নিষ্পত্তি করতে বলা হয়েছে। কৃষক পর্যায়ে যথাসময়ে কৃষি ঋণ পৌঁছানোর স্বার্থে স্বল্প মেয়াদি ফসল চাষে ঋণের ক্ষেত্রে সিআইবি রিপোর্ট প্রয়োজন হবে না।

এ ছাড়া ১০ টাকায় খোলা কৃষক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে ঋণ বিতরণ, কৃষি ভর্তুকিপ্রাপ্তি নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে। এ ছাড়া ঋণ বিতরণের ক্ষেত্রে আগের খাতগুলোকেই রাখা হয়েছে।

বিদায়ী অর্থবছরে ব্যাংকগুলো কৃষি খাতে ১৪ হাজার ৬৬৭ কোটি টাকা ঋণ বিতরণ করেছে, যা নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার ১০৩ দশমিক ৮০ শতাংশ। এর আগে আর কখনও লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় কৃষি খাতে বেশি ঋণ বিতরণ হয়নি।

অনুষ্ঠানে নূরুল আমিন বলেন, কৃষি খাতের কয়েকটি প্রকল্প এখনও কৃষিঋণের আওতার বাইরে রয়েছে। সেগুলো সংযোজন করা প্রয়োজন। এসব ঋণের বিপরীতে সাধারণ প্রভিশনের হার কমানো দরকার।

তিনি এ হার ১ শতাংশ বা এসএমই ঋণের মতো শূন্য দশমিক ২৫ শতাংশ করার প্রস্তাব করেন।