উপকূলে ২৭৭ আশ্রয়কন্দ্রে নর্মিাণ প্রকল্প ফাইল বন্দি

প্রকাশ:| শুক্রবার, ২৯ এপ্রিল , ২০১৬ সময় ০৮:৫২ অপরাহ্ণ

সাইক্লোন
সলেমি উদ্দনি, ঈদগাঁও (কক্সবাজার ) প্রতনিধিি ২৯ এপ্রিল
র্দীঘ ৮ বছর ধরে আটকে আছে কক্সবাজার উপকূলে ২৭৭টি আশ্রয় কন্দ্রে নর্মিাণ প্রকল্প। ২০০৮ সালরে ৮ র্মাচ প্রস্তাব আকারে ফাইলটি পাঠানো হয়ছেলি ত্রাণ ও র্দূযােগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রনালয়।ে কন্তিু এখনো এ প্রকল্পরে কোন অগ্রগতি হয়ন।ি অন্যদকিে জলোয় ৫৩৪টি আশ্রয় কন্দ্রে থাকলওে এর মধ্যে ৪১টি পরত্যিক্ত ঘোষনা করা হয়ছে।ে বাকী ৫১৬ টরি মধ্যে ২২৩টি ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়ছে।ে এসব রক্ষণাবক্ষেনওে নইে কোন বরাদ্দ।
কক্সবাজার ত্রাণ ও র্পুনবাসন র্কাযালয় সূত্র জানায়, ১৯৯১ সালরে প্রলংয়করী র্ঘূণঝিড়রে পর কক্সবাজার উপকূলে ৫৩৪ টি আশ্রয় কন্দ্রে স্থাপন করে বভিন্নি সরকারী-বসেরকারী সংস্থা। এর পর থকেে আর কোন আশ্রয় কন্দ্রে নর্মিতি হয়ন।ি কন্তিু ১৯৯১ সালরে সইে ট্র্যাজডেরি ২৪ বছর পর ৫৩৪ আশ্রয় কন্দ্রেরে মধ্যে ৪১টি পরত্যিক্ত ও ২২৩ টি ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়ছে।ে এছাড়া অবধৈ দখলে চলে গছেে র্অধশতাধকি আশ্রয় কন্দ্রে। এসব রক্ষণাবক্ষেন ও সংস্কারে নইে কোন উদ্যোগ।
গত ২৪ বছরে জনসংখ্যাও বড়েছেে প্রায় দ্বগিুন। কন্তিু বাড়নেি আশ্রয় কন্দ্রেরে সংখ্যা। গত ২০০৮ সালরে ৮ র্মাচ কক্সবাজার জলোয় নতুন করে ২৭৭ টি আশ্রয় কন্দ্রে নর্মিাণরে জন্য সংশ্লষ্ঠি মন্ত্রনালয়ে প্রস্তাব পাঠানো হয়। ২৭৭টি আশ্রয় কন্দ্রেরে মধ্যে কক্সবাজার সদরে ২৭ট,ি রামুতে ১৪ট,ি চকরয়িায় ৩১ট,ি পকেুয়ায় ৪৬ট,ি মহশেখালীতে ৬৯ট,ি কুতুবদয়িায় ৩২ট,ি উখয়িায় ২৩টি ও টকেনাফে ৩৫ট।ি কন্তিু গত ৭ বছরওে এর কোন অগ্রগতি হয়ন।ি
বর্তমানে কক্সবাজার উপকূলে ৫১৬টি আশ্রয় কন্দ্রেে ৪ লাখ ৯৭ হাজার ৯৪০ জনরে ধারণ ক্ষমতা রয়ছে।ে এর মধ্যে কক্সবাজার সদরে ৫৯টতিে ধারণ ক্ষমতা ৪৫ হাজার ১০০ জন, রামুতে ৩১টতিে ধারণ ক্ষমতা ১৮ হাজার ৫শ ১১ জন, চকরয়িায় ৮১টতিে এক লাখ ৩০০ জন, পকেুয়ায় ৬৮টতিে এক লাখ ২২ হাজার ১৫০ জন, মহশেখালীতে ১২৩টতিে ৭৪ হাজার ২৫০ জন, কুতুবদয়িায় ৯১টতিে ৭০ হাজার ৩৫০, উখয়িায় ৪১টতিে ৪১ হাজার এবং টকেনাফে ৪০টতিে ৪৪ হাজার ২২ জনরে ধারণ ক্ষমতা রয়ছে।ে এদকিে কক্সবাজার উপকূলরে প্রায় ২৫ লাখ মানুষরে জন্য এসব আশ্রয় কন্দ্রে একবোরইে অপ্রতুল বলে জানয়িছেনে স্থানীয়রা। যার কারণে ঝুঁকতিে আছনে এসব মানুষ।
এ বষিয়ে কক্সবাজার ত্রান ও র্পুনবাসন র্কমর্কতা মো. জাহাঙ্গীর আলম বলনে, ‘ইতমিধ্যইে জলোর বভিন্নি এলাকায় ৭/৮ টি আশ্রয় কন্দ্রে নর্মিাণরে কাজ প্রায় শষেরে দকি।ে নতুন র্অথ বছরে আরো ১০/১২ টি আশ্রয় কন্দ্রেরে নর্মিাণ কাজ শুরু হব।