উপকূলের ত্রাস, জলদস্যু সম্রাট ছালে আহমদ কুতুবদিয়ায় আটক

প্রকাশ:| মঙ্গলবার, ১৯ সেপ্টেম্বর , ২০১৭ সময় ০৭:২২ অপরাহ্ণ

এস.কে.লিটন কুতুবী
কুতুবদিয়া-কক্সবাজার:আন্তঃজেলা ডাকাত সর্দ্দার উপকূলের ত্রাস জলদস্যু স¤্রাট ছালে আহমদ (৪৫)কে কুতুবদিয়া থানা পুলিশ আটক করেছে। গতকাল (১৯ সেপ্টেম্বর) মঙ্গলবার দুপুরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খবর পেয়ে বড়ঘোপ আজম সড়কে অভিযান চালিয়ে থানা পুলিশ এস.আই জয়নাল আবেদীন ও এএসআই জাহেদের নেতৃত্বে জলদস্যু স¤্রাট ছালে আহমদকে আটক করে। জলদস্যু ছালে আহমদের বিরুদ্ধে কুতুবদিয়া,মহেশখালী,পেকুয়া,চকরিয়া,বাশঁখালী থানায় খুন,ডাকাতি,সন্ত্রাসী,ইয়াবা পাচার,অস্ত্র মামলাসহ এক ডজন মামলা রয়েছে বলে কুতুবদিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ দিদারুল ফেরদৌস নিশ্চিত করেন। আটক ছালে আহমদ কুতুবদিয়া দ্বীপের লেমশীখালী ইউনিয়নের কবিরাপাড়া গ্রামের মৃত আবু মুছার ছেলে। সে দীর্ঘ দুই যুগ ধরে বঙ্গোপসাগর এবং তৎসংলগ্ন নদী,চ্যানেল ও উপকূলে জলদস্যুতা ,ত্রাস এবং অপহরণ পূর্বক মুক্তিপণ আদায় করে আসছিল। তার অত্যাচারে অতিষ্ট হয়ে উপকূলের জেলেরা মাসোহারা চাঁদা দিয়ে মাগরে মাছ ধরার জন্য যেতো। তার নিয়ন্ত্রনাধীন আন্তঃজেলায় তিন’শ জলদস্যু বাহিনী রয়েছে। বাশঁখালী,পেকুয়া,চকরিয়া,মহেশখালী,কুতুবদিয়া উপকূলে তার বাহিনীর সদস্যরা দল গঠন করে সাগরে নির্বিচারে ডাকাতি করে বেড়াচ্ছে। এসব জলদস্যু দলের সাথে কিছু সংখ্যক আইনশৃংখলার জলসীমা রক্ষাকারী বাহিনীর সখ্যতা গড়ে উঠায় এসব জলদস্যূরা বেপরোয়াভাবে জলে এবং স্থলে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছে। সম্প্রতি কুতুবদিয়া চ্যানেলে নির্বিচারে ডাকাতি ও ইয়াবা চালান পাচার নিয়ে জনমনে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। কুতুবদিয়া ফিশিং ট্রলার মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক জয়নাল আবেদীন কোম্পানী জানান, বিগত কয়েক বছর ধরে বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন উপকূলে জলদস্যুদের উপদ্রব বৃদ্ধি পাওয়ায় জেলেরা অসহায় হয়ে পড়েছিল। জলদস্যুদের তান্ডবের কারণে জেলেরা সাগরে মাছ ধরার পেশা ছেড়ে অন্য পেশায় বেঁেচ নিয়েছে। বিগত এক মাসে মহেশখালী,পেকুয়া,কুতুবদিয়া উপকূল থেকে জলদস্যু স¤্রাটসহ শতাধিক জলদস্যু পুলিশের হাতে আটক হওয়ায় জেলেদের মনে কিছুটা স্বস্তি ফিরে এসেছে বলে তিনি জানান।


আরোও সংবাদ