উত্তর-দ‌ক্ষিন বিএনপি নেতাদের ‘সতর্ক’ করলেন খালেদা

প্রকাশ:| মঙ্গলবার, ১৬ মে , ২০১৭ সময় ০৯:৩৬ অপরাহ্ণ

সারাদেশে দল পুনর্গঠনে চট্টগ্রামে দলীয় কোন্দলে মারামারিতে প্রথম দফায় কর্মীসভা পণ্ড হয়ে যাওয়ার ঘটনায় নেতাদের ঢাকায় ডেকে এনে ‘সতর্ক’ করেছেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া।

চট্টগ্রামের বিএনপির দুই সাংগঠনিক জেলার বিভক্তি নিরসনের দায়িত্ব নিজের কাঁধেই নিয়েছেন দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। সোমবার রাতে চট্টগ্রামের ১৫ নেতার সঙ্গে প্রায় আড়াই ঘণ্টা রুদ্ধদ্বার বৈঠকের পর সিদ্ধান্ত হয় চট্টগ্রাম ‘উত্তর’ ও ‘দক্ষিণ’ জেলা কমিটি কেন্দ্র থেকেই করে দেওয়া হবে। খবর বিডিনিউজ’র।
বৈঠকে উপসি’ত কয়েকজন নেতার সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, চট্টগ্রামের দুটি কর্মীসভা কোন্দলের কারণে পণ্ড হয়ে যাওয়ায় বৈঠকে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেন খালেদা জিয়া। দুই জেলা শাখার কর্মীসভায় মারামারি এবং সংগঠনে বিভক্তির জন্য চট্টগ্রামের দায়িত্বে থাকা নেতাদের ব্যর্থতাকেই তিনি দায়ী করেন।
গত ২ মে চট্টগ্রাম উত্তর এবং ৩ মে দক্ষিণের কর্মীসভা দলীয় কোন্দলের কারণে মারামারিতে পণ্ড হয়ে যায়। তবে ৪ মে মহানগর বিএনপির কর্মী সভা হয়। কেন্দ্র থেকে সারা দেশে সংগঠন পুনর্গঠনে কর্মী সভা করতে যে ৫১টি দল গঠন করে দেওয়া হয়েছিল, সেখানে চট্টগ্রাম উত্তর, দক্ষিণ ও মহানগরের দায়িত্বে ছিলেন স’ায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন। কোন্দলে ওই দুই সভা পণ্ড যাওয়ার পর সেখানকার নেতাকর্মীদের নিয়ে সোমবার রাতে নিজের গুলশানের কার্যালয়ে বৈঠকে বসেন বিএনপি চেয়ারপারসন।

বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ভাইস চেয়ারম্যান মীর নাসির, আব্দুল্লাহ আল নোমান, গিয়াস কাদের চৌধুরী, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য গোলাম আকবর খন্দকার, এসএম ফজলুর হক,সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবুর রহমান শামীম, মহানগর সভাপতি শাহাদাত হোসেন, সাধারন সম্পাদক জনাব আবুল হা‌সেম বক্কর, দক্ষিণের সভাপতি জাফরুল ইসলাম চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক গাজী শাহজাহান জুয়েল, উত্তরের সদস্য সচিব কাজী আবদুল্লাহ আল হাসান প্রমুখ।

বিএনপির পুনর্গঠনের জন্য কেন্দ্র থেকে ৫১টি টিম গঠন করা হয়েছিল। চট্টগ্রাম উত্তর, দক্ষিণ ও মহানগরের দায়িত্বে ছিলেন স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন। গত ২ মে চট্টগ্রাম উত্তর এবং ৩ মে দক্ষিণের কর্মীসভা দলীয় কোন্দলের কারণে মারামারিতে পণ্ড হয়ে যায়। পরে ৪ মে মহানগর বিএনপির কর্মী সভা অনুষ্ঠিত হয়।


আরোও সংবাদ