উখিয়ায় ভোটার তালিকা হালনাগাদের কাজ শুরু

প্রকাশ:| মঙ্গলবার, ২৫ জুলাই , ২০১৭ সময় ১০:৪৮ অপরাহ্ণ

কায়সার হামিদ মানিক,উখিয়া ::
উখিয়া উপজেলায় শুরু হয়েছে ভোটার তালিকা হালনাগাদের কাজ আজ মঙ্গলবার শুরু হয়েছে। উপজেলার ৫ টি ইউনিয়নে একযোগে তথ্য সংগ্রহকারীরা ভোটার তালিকা হালনাগাদের কাজ করবে। রোহিঙ্গা অধ্যুষিত উপজেলা হওয়ায় বিশেষ দিক নির্দেশনাও রয়েছে বলে জানা গেছে।
উপজেলা নির্বাচন সুত্রে জানা যায়, আজ ২৫ জুলাই হতে শুরু হয়ে ৯ আগষ্ট পর্যন্ত ভোটার তালিকা হালনাগাদের কাজ চলবে। উপজেলার ৫ টি ইউনিয়নে ৭৫ জন সুপারভাইজার এবং তথ্য সংগ্রহকারী কাজ করছেন।
২৫ আগস্টের মধ্যে ভোটার তথ্য সংগ্রহ শেষ হলে ৩ ধাপে শুরু হবে নিবন্ধন কেন্দ্রে কম্পিউটার ডাটা এনন্ট্রি, ছবি তোলা ও আনুষঙ্গিক কাজ। এইছাড়াও ২৫ নভেম্বর থেকে ১৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত উপজেলা নির্বাচন অফিসারের কার্যালয়ে ভোটার এলাকা স্থানান্তরের আবেদন গ্রহণ, মৃত ভোটারের নাম কর্তন করা যাবে। পরে ২ জানুয়ারি হালনাগাদকৃত খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে। খসড়া ভোটার তালিকার উপর দাবি আপত্তি ও সংশোধনের জন্য আবেদনের শেষ তারিখ ১৭ জানুয়ারি। ২২ জানুয়ারি দাবি আপত্তি ও সংশোধন নিষ্পত্তি শেষ করা হবে। দাবি, আপত্তি ও সংশোধনীর জন্য দাখিলকৃত আবেদনের উপর গৃহীত সিদ্ধান্ত সন্নিবেশনের শেষ তারিখ ২৭ জানুয়ারি। সবশেষে ৩১ জানুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে ।
রত্নাপালং ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ডের তথ্য সংগ্রহকারী অমিত বড়ুয়ার সাথে কথা বলে জানা যায়, আজ ২৫ শে জুলাই সকাল থেকে তথ্য সংগ্রহের কাজ শুরু করা হয়েছে। ২০১৮ সালের জানুয়ারিতে যাদের বয়স ১৮ হবে এবং যেসব নাগরিক যোগ্য হওয়ার পরও বিভিন্ন কারণে ইতোপূর্বে ভোটার হতে পারেননি কেবলমাত্র তাদেরকে ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে।
উপজেলা নির্বাচনী কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম জানান, উখিয়া উপজেলা জুড়ে ভোটার তালিকা হালনাগাদকরণের কাজ শুরু হয়েছে। রোহিঙ্গা বিষয়ক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, দেশের রোহিঙ্গা অধ্যুষিত ৩০ টি উপজেলায় ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্তির জন্য যেসব কাগজপত্র দরকার রয়েছে সে হিসাবে রোহিঙ্গাদের ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্তি একেবারেই অসম্ভব বলে মন্তব্য করেন ।
এদিকে উখিয়া এবং পাশ্ববর্তী উপজেলায় ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্তির জন্য নিম্নলিখিত কাগজপত্র সংযুক্ত করতে হবে। জন্ম সনদের সত্যায়িত ফটোকপি, জাতীয়তা সনদের সত্যায়িত ফটোকপি, পিতা-মাতার জাতীয় পরিচয়পত্রের সত্যায়িত ফটোকপি, পিতা-মাতা মৃত হলে মুত্যু সনদের সত্যায়িত ফটোকপি, জমি মালিকানার দলিল-খতিয়ানের সত্যায়িত ফটোকপি, স্বামী-স্ত্রীর জাতীয় পরিচয়পত্রের সত্যায়িত ফটোকপি, স্বামী-স্ত্রী মৃত হলে মৃত্যু সনদের সত্যায়িত ফটোকপি, ইউটিলিটি বিদ্যুৎ, টেলিফোন, গ্যাস, পানি ইত্যাদির (যদি থাকে) বিলের সত্যায়িত ফটোকপি, বিদেশ ফেরৎ হলে বৈধ পাসপোর্টের সত্যায়িত ফটোকপি, ওয়ারিশ সনদের সত্যায়িত ফটোকপি, ভাই/বোন/চাচা/ফুফুর জাতীয় পরিচয়পত্রের সত্যায়িত ফটোকপি, শিক্ষা প্রতিষ্টানের সনদের (যদি থাকে) সত্যায়িত ফটোকপি, ইউনিয়ন পরিষদের খাজনা, বয়স্ক আবেদনকারীর বাদ পড়ার কারণ উল্লেখ করতঃ চেয়ারম্যান কতৃক প্রত্যয়নপত্র এবং চৌকিদারের রসিদের সত্যায়িত ফটোকপি।


আরোও সংবাদ