ঈদের ছুটিতে পর্যটকের ঢল নেমেছে বান্দরবানে

প্রকাশ:| বৃহস্পতিবার, ৩১ জুলাই , ২০১৪ সময় ০৯:২৪ অপরাহ্ণ

প্রকৃতির নির্মল ছোয়ায় ছুটে বেড়াচ্ছে পর্যটকরা
বান্দরবান ॥
ঈদের ছুটিতে পর্যটকের ঢল নেমেছে বান্দরবানেপ্রকৃতির নির্মল ছোয়ায় পাহাড়ী জেলা বান্দরবানে ছুটে বেড়াচ্ছে পর্যটকরা। ঈদের ছুটিতে প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি বান্দরবানের পর্যটন স্পটগুলোতে ঢল নেমেছে দেশী-বিদেশী পর্যটকের। জেলা সদরসহ বিভিন্ন উপজেলায়ও হোটেল-মোটেল, রেস্ট হাউস এবং গেস্টহাউসগুলোতে কোনো সীট খালি নেই। এক সীটে ডাবলিং করেও থাকছে পর্যটকরা। কোথাও সীট না পেয়ে দূর্গমাঞ্চলে পাহাড়ীদের মাচাংঘরগুলোকে থাকার বিকল্প ব্যবস্থা হিসেবে বেছে নিচ্ছে বেড়াতে আসা পর্যটকরা। প্রতিদিনই হাজার হাজার পর্যটকেরা ভীড় জমাচ্ছে বান্দরবান জেলায়। তবে অনুন্নত সড়ক যোগাযোগ এবং পর্যটন স্পটগুলোতে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা না থাকায় নিরাপত্তাহীনতায় ভূগছেন পর্যটকরা। একারণে পর্যটন শিল্পের উন্নয়নে নিরাপত্তা এবং সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা আরো উন্নত করার দাবী জানিয়েছেন পর্যটকরা। ঢাকা থেকে বান্দরবানে বেড়াতে আসা পর্যটক সাজ্জাদ হোসেন এবং চট্টগ্রাম থেকে আসা পর্যটক নওশেদ আরমান ও সীমা দম্পতি জানান, নীলাচল’সহ এখানকার পর্যটন স্পটগুলোর সৌন্দর্য দেখে সত্যিই মুগ্ধ হয়েছি। কিন্তু সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থার আরো বেশি উন্নয়ন দরকার। বৃহস্পতিবার নীলাচল সড়কে দীর্ঘ দু’ঘন্টা লম্বা যানজটে আটকে থাকতে হয়েছে। এটি শুধুমাত্র সরু সড়কের কারণেই এই বিরম্বনায় পড়তে হয়েছে পর্যটকদের। এছাড়াও একই সড়কে দুটি স্থানে দু’দফায় টিকেট-টোল আদায়ের বিষয়টি যন্ত্রণা দায়ক। পর্যটকদের যাতায়াত আরো সহজ এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরো নিশ্চিত করার দাবী জানাচ্ছি।
ঈদের লম্বা ছুটিতে বান্দরবানে নালাচল, মেঘলা, নীলগিরি, স্বর্ণ মন্দির, রিজুক ঝর্ণা, শৈল প্রপাত, চিম্বুক, বগালেক, ক্যাওক্রাডং’সহ জেলার পর্যটন স্পটগুলো এখন পর্যটকের পদভারে মুখরিত হয়ে উঠেছে। কোথাও তীল ধারণের ঠাই নেই। পালকি গেষ্ট হাউজের ম্যানেজার সিপন দাশ’সহ পর্যটন ব্যবসায়ীরা জানান, হোটেল-মোটেল এবং রেষ্ট হাউজ-গেষ্ট হাউজ কোথাও কোনো সীট খালি নেই। গত মঙ্গলবার থেকে শুক্রবার পর্যন্ত টানা বুকিং রয়েছে। রুম না পেয়ে অনেকে রাস্তা এবং গাড়ীতেই রাত্রী যাপনে বাধ্য হচ্ছে। এবিষয়ে বান্দরবান জেলা প্রশাসক কে.এম তারিকুল ইসলাম জানান, পর্যটন শিল্পের ব্যাপক প্রসার লাভ করছে বান্দরবানে। ঈদকে সামনে রেখে পর্যটকের বাড়তি চাপ লক্ষ্য করা গেছে। পর্যটকদের নিরাপত্তায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।