ঈদগাঁও ডিসি সড়কের কাজ চলছে বৃষ্টির দিনে!

প্রকাশ:| বৃহস্পতিবার, ২৬ মে , ২০১৬ সময় ০৯:৪১ অপরাহ্ণ

ডিসি সড়ক
সেলিম উদ্দিন, ঈদগাঁও প্রতিনিধি:
কক্সবাজার সদর উপজেলার ঈদগাঁও বাজারের একমাত্র সড়কের কাজ দীর্ঘ কয়েক যুগ পর শুরু হয়েছে। তাও বৃষ্টির দিনে। সুযোগ সন্ধানী টীকাদাররা সুযোগ বুঝে কুপ মারতে দেখা গেছে। সরেজমিনে দেখা যায়, চলতি বৃষ্টিতেই একমাত্র ডিসি সড়কের কাজ চলছে। বৃহত্তর ঈদগাঁওর ২০ সহ¯্রাধিক লোকজন ঐ সড়ক দিয়ে যাতায়াত করে চট্টগ্রামের বৃহত্তম এ হাটে আসে। অথচ সে সড়কের দীর্ঘদিনের চিত্র ছিল বেহাল দশা। বৃষ্টিতে কাজ শুরু হওয়ায় সড়কের একপাশের নালাতে পড়ে দৈনিক অর্ধ শতাধিক পথচারী আহত হওয়ার ঘটনা ঘটে। সড়কের উভয়পাশের্^ দেয়াল নির্মাণের জন্য গর্তে পড়ে ভারুয়াখালী ও পোকখালীর ২ বৃদ্ধা মহিলা আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার ঘটনাও ঘটে।
স্থানীয়দের দাবী এ সড়কটির কাজ দীর্ঘদিন পূর্বে থেকে শুরু হওয়ার কথা থাকলেও দায়িতপ্রাপ্ত কন্ট্রাক্টর ঝড়ের দিনে শুরু করেছে। ব্যবসায়ীদের দাবী দ্রুত এ সড়কের কাজ মেরামত করা না গেলে বাজারে আসা লোকজনকে আরো কষ্ট পোহাতে হবে। এছাড়া আগামী ৪ জুন বৃহত্তর ঈদগাঁওর ইউপি নির্বাচন। গোটা সড়কটি ঈদগাঁও ও জালালাবাদ ইউনিয়নের মাঝে পড়ায় ২ ইউনিয়নের জনসমর্থন ও ঐ সড়ক দিয়ে মিছিল কিংবা মিটিং করতেও দূর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। নির্বাচনের পূর্বেই দ্রুত সড়কটি পরিপুর্ণভাবে সংস্কার করা না গেলে ভোটের দিনেও আইন প্রয়োগকারী সংস্থার লোকজনকেও বিকল্প সড়ক দিয়ে যাতায়াত করতে হবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। বর্তমানে বাজারের এ সড়কটি দিয়ে জীবনের ঝুঁকিনিয়ে পথচারীরা চলাচল করতে দেখা যায়। পথচারীদের দাবী ডিসি সড়কটি পূর্বের সড়ক থেকে ২ থেকে ৩ ফুট উঁচু হলেও সড়কের উপভয় পাশে^ যাতায়াতকারীদের জন্য ব্যবস্থা থাকছে না। সড়ক বাদ দিয়ে সামান্য জায়গাটুকুকে যদি ড্রেন নির্মিত হত তাহলে কোনমতে, ঐ ডেনের উপর দিয়ে চলাচল করার ব্যবস্থা হবে। তা না হলে সড়কের উপভয়পাশের্^র জায়গাগুলি একদিকে যেমন দোকান মালিকরা জবর দখল করে নিচ্ছে অন্যদিকে ঐ স্থানের উপরই ভাসমান হকারেরা বসে তাদের নিয়ন্ত্রণে রেখে দিয়েছে। সড়কের পরিপুর্ণ জায়গা উদ্ধার না করে কাজগুলি সমাপ্ত করে তাহলে লাভবান হবে কথিত ভূমিদস্যু, দোকান মালিকেরা ও ভাসমান হকাররা।
সচেতন মহলের মতে, সময়ের ব্যবধানে ডিসি সড়ক ভূমিদস্যুদের রোষানলে পড়ে ছোট হয়ে আসছে। সর্বোপরী বৃষ্টির দিনে ডিসি সড়কের সংস্কারের কাজ শুরু হওয়ায় একদিকে যেমন টীকাদাররা লাভবান হচ্ছে, তেমনি ঝুঁকি নিয়ে ঐ সড়ক পারাপার হতে হচ্ছে স্থানীয়দেরকে।