ঈদগাঁওতে ইট ভাটায় মাটি কাটার জন্য জমিতে পানি সেচ বন্ধ

প্রকাশ:| মঙ্গলবার, ২৯ ডিসেম্বর , ২০১৫ সময় ১১:৫২ অপরাহ্ণ

পানি সেচ বন্ধ
সেলিম উদ্দিন, ঈদগাঁও, কক্সবাজার
কক্সবাজার সদরের ঈদগাঁওতে ইট ভাটা মালিকদেরকে ফসলি জমি থেকে টপ সয়েল কাটার সুযোগ দিতে রাবার ড্যাম প্রকল্প থেকে পানি সরবরাহ বন্ধ রাখার অভিযোগ উঠেছে। ঈদগাও নদীতে স্থাপিত দেশের প্রথম রাবার ড্যাম প্রকল্প থেকে পানি সেচ ও সরবরাহ বন্ধ থাকায় আসন্ন বুরো ধান শাষ মৌসুমের জন্য বীজ তলা তৈরি করতে পারছেন না কৃষকরা। ফলে চরম বিপাকে পড়েছে বৃহত্তর ঈদগাঁও’র ৭ ইউনিয়নের প্রায় ৫ হাজার একর ফসলি জমি, কৃষক ও কৃষিখাত। আসন্ন বুরোধান মৌসুমের জন্য বীজতলা তৈরীর সময় অতিবাহিত হয়ে গেলেও পানির অভাবে বীজতলা তৈরি করা যাচ্ছে না বলে জানিয়েছেন কৃষকরা।

রামুর ঈদগড় থেকে সদরের পোকখালী পর্যন্ত প্রায় ১৫ কিলোমিটারব্যাপী ঈদগাঁও নদীর চরে চাষকৃত শত শত একর সবজিতেও সেচের পানি সংকটে পড়েছে। সদরের ঈদগাঁও, জালালাবাদ, পোকখালী, ইসলামাবাদ, ভারুয়াখালী, চৌফলদন্ডী ও ইসলামপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন বিলে বিগত আমনধান মৌসুমের ধান কাটার পর আপাতত খালি হওয়া ধানতে থেকে টপসয়েল কাটার সুযোগ করে দেয়ার জন্য ইটভাঁটা মালিকদের সাথে রাবার ড্যাম কর্তৃপ, স্কিম ম্যানেজার ও সংশ্লিষ্ঠদের গোপন আতাঁতের অভিযোগ তুলেছেন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক চাষীরা। ধানে পানি প্রবাহের জন্য রাবার ড্যাম ফুলানো ও নালাকাটার কাজ সম্পন্ন হলেও রহস্যজনক করনে রাবার ড্যাম থেকে পানি ছাড়া হচ্ছে না বলে জানা গেছে। এ সুযোগে বৃহত্তর ঈদগাঁও’র বিভিন্ন এলাকায় অবস্থিত ৮টি ব্রিকফিল্ডে এখন ফসলীজমি থেকে রাত দিন টপসয়েল কেটে নিচ্ছে ইট ভাটা মালিকরা। জমিতে পানি উঠলে এ মাটিকাটা সম্ভব হবেনা। তাই বিভিন্ন কলাকৌশল ও মোটা অঙ্কের টাকায় চারদিক ম্যানেজ করে রাবার ড্যামের পানি বন্ধ করে রাখা হয়েছে। আর এতে চরম বিপদে পড়েছে ৭/৮ ইউনিয়নের ৪ হাজার ৮ শত একরের কৃষিখাত। এতে আগামীতে বৃহত্তম ঈদগাঁও এলাকায় ব্যাপক খাদ্য ঘাটতি দেখা দেওয়ার আশংকা রয়েছে। উপরোক্ত ব্যাপারে রাবার ড্যাম ব্যবস্থাপনা সমিতির সেক্রেটারী জাফর আলম বলেন, নালা খনন সম্পন্ন না হওয়ায় বিভিন্ন স্কীম ম্যানেজার এখনো পানি সরবরাহ নিচ্ছে না।