ডা. মো. আবু তৈয়ব এর বিদায় সংবর্ধনা

প্রকাশ:| সোমবার, ৮ জুলাই , ২০১৩ সময় ০৮:৩৪ অপরাহ্ণ

বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ট্রপিক্যাল এন্ড ইনফেকশাস ডিজিসেস, চট্টগ্রাম-এর প্রথম পরিচালক ডা. মো. আবু তৈয়ব বলেছেন, abu tayebলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ট্রপিক্যাল এন্ড ইনফেকশাস ডিজিসেস, চট্টগ্রাম-এর প্রথম পরিচালক ডা. মো. আবু তৈয়ব বলেছেন, abu tayebপেশাগত জীবনে সরাসরি রাজনৈতিক দলের কোন পদ পদবী ছিলো না, শুধু আমার স্ত্রী আওয়ামী লীগের রাজনীতির তৃণমূলে জনপ্রিয়- এই অপরাধে জোট সরকারের আমলে আমাকে ১৯ বার বদলী করা হয়। যেখানেই পাঠিয়েছে সততার সাথে দায়িত্ব পালন করেছি। কোন অন্যায় প্রলোভনের কাছে হার মানিনি বলেই এখনও মাথা উঁচু করে বুক ফুলিয়ে কথা বলতে পারি। পেশাগত জীবনে সততার পুরস্কার পেয়েছি সাধারণ মানুষের ভালোবাসায়। বিরাগভাজন হয়েছি অনেকের কিন্তু কোন অন্যায়কে প্রশ্রয় দেয়নি কারো কথায়। উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অন্যায় আবদার রক্ষা করতে পারিনি বলেই অনেকেই আমার বিরুদ্ধে ছিলেন। পরে কেউ কেউ তাদের ভুল বুঝতে পেরেছেন। সে সময়ে আমি ব্যক্তিগতভাবে কষ্ট পেলেও আজ বিদায় বেলায় তাদের ক্ষমা করে দিলাম।
জেলা ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. মো. রফিক উদ্দিনের সভাপতিত্বে সম্প্রতি সিভিল সার্জন কার্যালয়ের গ্যালারীতে অনুষ্ঠিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. কাজী শফিকুল আলম। বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম বিভাগীয় স্বাস্থ্য সহযোগী পরিচালক ডা. সালাউদ্দিন মাহমুদ। ডা. নাফিসা আখতারের সঞ্চালনে অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন ব্র্যাক-এর বিভাগীয় পরিচালক নুরুন্নবী, ডা. নুরুদ্দিন মো. তারেক, মিরসরাই উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. এস.এম তাবারক উল্লাহ বায়েজিদ, ফটিকছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. দেবাশীষ দত্ত, পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. দুলাল প্রসাদ ভট্টাচার্য, সিনিয়র স্টাফ নার্স চায়না রাণী শীল, ক্যাশিয়ার আবদুল গফুর, প্রধান সহকারী আনোয়ারুল ইসলাম প্রমুখ।
সভায় বক্তারা বলেন, সমস্ত লোভ লালসার উর্দ্ধে থেকে চট্টগ্রাম জেলার স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে সাফল্যের যে পর্যায়ে ডা. তৈয়ব উন্নীত করেছেন-তা মাইলফলক। নিজ কর্মগুণে তিনি সকলের শ্রদ্ধেয় এবং প্রিয় ব্যক্তিত্বে পরিণত হয়েছিলেন। চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালকে সর্বসাধারণের কাছে একটি নির্ভরযোগ্য চিকিৎসা সেবা প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে তাঁর নিরলস প্রচেষ্টা সবাই একবাক্যে স্বীকার করবেন। ৮০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালকে ২৫০ শয্যায় উন্নীত এবং সর্বাত্মক প্রচেষ্টায় একটি সফল কার্যকর হাসপাতালে রূপান্তর করেছেন তিনি।