ইসলামিয়া বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের অধ্যক্ষকে থেকে বের, তালা

প্রকাশ:| শনিবার, ৭ অক্টোবর , ২০১৭ সময় ১০:৪৯ অপরাহ্ণ

দায়িত্ব পালনরত অবস্থায় ইসলামিয়া বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের অধ্যক্ষ মো.রেজাউল কবিরকে তাঁর কার্যালয় থেকে বের করে দিয়েছে শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মচারিরা। এসময় তারা কার্যালয়ে তালা লাগিয়ে দেন।

অধ্যক্ষকে কার্যালয় থেকে বের করে দেওয়া শিক্ষক-কর্মচারী ও শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, দেড় বছর আগে কলেজের অধ্যক্ষ মো. রেজাউল কবিরের মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও তিনি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্দেশনা না মেনে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। যা সম্পূর্ণ অবৈধ।

এর আগে গত ২৪ সেপ্টেম্বর জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত কলেজ পরিদর্শক ড. মো. মনিরুজ্জামান স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে গত বছরের ৩০ জুন দায়িত্ব শেষ হওয়ায় কলেজের কার্যক্রম পরিচালনার জন্য কলেজের উপাধ্যক্ষ কিংবা জ্যেষ্ঠতম কোন শিক্ষককে দায়িত্ব হস্তান্তরের আদেশ দেওয়া হয়েছিল।

ইসলামিয়া বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের ইসলামের ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক মো. মোস্তফা মোর্শেদ জানান, আইন অনুযায়ী কলেজের একজন শিক্ষক ৬০ বছর বয়স পর্যন্ত চাকরি করতে পারেন। পরবর্তীতে ২ বছর করে দুই বার ও এক বছরের জন্য চাকরির আবেদন করার সুযোগ রয়েছে।

অধ্যক্ষ মো. রেজাউল কবিরের ২০১১ সালের ৩০ জুন চাকরির মেয়াদ শেষ হয়। পরে ২ বছর করে দুইবার এবং পরবর্তীতে আরও এক বছর চাকরির মেয়াদ বৃদ্ধি করেন। সে ‍অনুযায়ী গত বছরের ৩০ জুন চাকরির মেয়াদ পুরোপুরি শেষ হয়ে যায়। এরপর জাতীয় বিশ্ববিদ্যালেয় থেকে নির্দেশনা আসে সিনিয়র শিক্ষককে দায়িত্ব বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য। কিন্তু তিনি এ নির্দেশনাকে তোয়াক্কা না করে ওই পদে সমাসীন রয়েছেন।

মেয়াদোত্তীর্ণ অধ্যক্ষ পদে থেকে একক সিদ্ধান্তে ২ জন শিক্ষককে চাকুরিচ্যুত করেছেন অভিযোগ করে তিনি বলেন, বেআইনিভাবে ও ইচ্ছেমত কলেজে শিক্ষক নিয়োগ করছেন। এছাড়াও কলেজে নানা অপকর্ম ও দুর্নীতি করেই যাচ্ছেন। তাই কলেজের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মচারীরা মিলে কলেজ থেকে অধ্যক্ষকে বের করে তাঁর কার্যালয়ে তালা লাগিয়ে দেয়।

কার্যালয়ে তালা লাগিয়ে দেওয়ার বিষয়টি স্বীকার করে কলেজের অধ্যক্ষ মো. রেজাউল কবির বলেন, কিছু বহিরাগত ছেলে আমার রুমে এসে আমাকে জোর করে বের করে দিয়েছে।