ইসলামাবাদে বিদ্যুৎতের খুঁটি স্থাপনে তুলকালাম!

নিউজচিটাগাং২৪/ এক্স প্রকাশ:| বৃহস্পতিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর , ২০১৮ সময় ১০:৪৪ অপরাহ্ণ

সেলিম উদ্দীন, ঈদগাঁও প্রতিনিধি: কক্সবাজার সদরের ইসলামাবাদ ইউনিয়নের পশ্চিম গজালিয়া হযরত শাহ পেঠান ফকিরের মাজারে বিদ্যুৎ স্থাপনের জন্য ২টি খুঁটিই যথেষ্ট। পশ্চিম গজালিয়াস্থ স্থান দিয়ে মাত্র ২টি খুঁটি স্থাপন করলেই মাজারে বিদ্যুৎ চলে আসবে। তা না করে কতিপয় প্রভাবশালী বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষকে ভুল তথ্য দিয়ে পশ্চিম গজালিয়াস্থ ঐতিহাসিক ফুটবল মাঠের পশ্চিম দিক থেকে বনবিভাগের জায়গা ও ১০ পরিবারের বসত ঘরের উপর দিয়ে বর্তমানে জোর পূর্বক খুঁটি স্থাপন করতে যাওয়ায় গ্রামবাসী ও বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ মুখোমুখি অবস্থানে রয়েছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, ৬/৭টি খুঁটির জন্য কয়েক শতাধিক বাঁশ ও বিভিন্ন প্রজাতির গাছ কেটেই এ সংযোগটি চালু করতে হবে। গত রমজান মাসে খুঁটি গুলি জোর পূর্বক স্থাপন করতে গিয়ে বাঁধার সম্মুখীন হলে ঠিকাদার খুঁটি স্থাপন না করেই বন্ধ করে রাখে। এদিকে কতিপয় স্বার্থান্বেষী মহল বিদ্যুৎ ও প্রশাসনকে ভুল তথ্য দিয়ে পল্লী বিদ্যুতের কাজে বাঁধা প্রদানের অযুহাতে ভূক্তভোগী এক পরিবারকে আটকেরও চেষ্টা করে। সম্প্রতি নাপিতখালী বনবিট ও ভোমরিয়াঘোনা বিটের কতিপয় কর্মকর্তা ঘটনাস্থলে এসে গাছ না কেটে বিকল্প জায়গা দিয়ে খুঁটি স্থাপনের অনুরোধ করেন।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ৩টি খুঁটি একেবারে স্থানীয় বসতভিটার ভিতরে। ঐ খুঁটির উপর বিদ্যুতের তার স্থাপন করলে কয়েক শতাধিক গাছ কেটে ফেলতে হবে। এদিকে সরকার গাছ লাগান, পরিবেশ বাচান, গাছে সত্যি টাকা ফলে এ শ্লোগানে প্রতি বছর গাছ রোপন করে আসলেও মুষ্টিমেয় ২/৩ পরিবারের জন্য কেন গাছ কেটে বিদ্যুৎ নিয়ে যেতে হবে। তাই উর্ধ্বতন বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষের কাছে গ্রামবাসীর অনুরোধ সরেজমিন তদন্ত পূর্বক বিকল্প জায়গা দিয়ে বিদ্যুৎ স্থাপন করা হয়। অন্যথায় তারাও বিকল্প চিন্তা করতে বাধ্য হবে বলে জানায়।
উল্লেখত গ্রামবাসীর মধ্যে শাহ আলম, রাকিবুল হাসান, আলী আকবর, জামাল হোছন, মোক্তার আহমদ, ফরিদুল আলম, মোঃ ইসলাম ও তাছলিমার বসতঘর এবং ৫ শতাধিক গাছ রয়েছে। । বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ সুদৃষ্টি দিলেই মাজারে বিকল্প তথা পশ্চিম পাশ দিয়ে ৩টি খুঁটি স্থাপন করলে মাজারসহ বিভিন্ন জায়গায় বিদ্যুৎ চলে যাবে। তাই তদন্ত পূর্বক স্থাপিত ২/৩টি খুঁটি উপড়ে ফেলে বিকল্প সড়ক দিয়ে নতুন সংযোগ স্থাপনের জোর দাবী জানান এলাকাবাসী।