ইপিজেড’র ফুটপাত আবারো হকারের দখলের

প্রকাশ:| মঙ্গলবার, ১৬ জুন , ২০১৫ সময় ০৮:১০ অপরাহ্ণ

হোসেন বাবলা,
দীর্ঘ দিন পর আবারো বেপরোয়া ভাবে সিইপিজেড এলাকায় ফুটপাত দখল হয়ে যাচ্ছে। গত বছর চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার আব্দুল জলিল মন্ডল সিএমপিতে যোগদান করেই প্রথমে এই নগরীর ফুটপাত দখলদার মুক্ত এবং যানযট নিরসন প্রকল্পে জোর পদক্ষেপ নেন। সে সূত্রে এই নগরীর বেশ কয়েকটি গুরতপূর্ণ এরিয়া প্রায় যানযট ও ফুটপাত দখল মুক্ত ছিল। কিন্তু হঠাৎ করে গত কয়েক মাস যাবত চর্তুদিকে দখলের মহাউৎসব শুরু হয়েছে।

গত ১ জুন ২০১৫ ইং থেকে হঠাৎ করে কোন এক অদৃশ্য ক্ষমতার বলে নগরীর অত্যন্ত গুরত্বপুর্ণ সিইপিজেড এলাকায় ফুটপাত আর সরকারি সিডিএর জমি দখলে ব্যস্ত সরকার দলের যুব, পাতি এবং অখ্যাত নেতা। যাদেরকে মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের ডিজিটাল ও হাইব্রিড নেতা হিসেবে ভূষিত করেন।

এই পাতি আর অখ্যাত নেতাদের দাপটে এবার ইপিজেড এলাকার ফুটপাত আবারো দখলের কবলে পড়েছে। ফুটপাতে ইপিজেড শ্রমিক -বিএন ও বেপজা কলেজ-মাদ্রাসার ছাত্র- ছাত্রী ছাড়াও অনেক পথচারী অভিযোগ করে বলেন, ইপিজেড থানা সংলগ্ন টিসিবি এরিয়া, কবরস্থান আর মাদ্রাসার সাইন-বোর্ড ব্যবহার করে ফুটপাতের টাকা নিয়ে চলছে চাঁদাবাজি। এ প্রসঙ্গে মাদ্রাসা কমিটির সভাপতি আবু তাহের বলেন, আমি এসব দখলদারদের সরাতে বলেছি, . কমিটির অন্যলোকেরা মিলেএসব কাজ করছে। আমি নীরিহ লোকের অভিযোগটি শুনেছি। তবে ইপিজেড পুলিশের সহায়তায় আবারো অবৈধ দখল মুক্ত করতে চেষ্টা করবো।

এদিকে পুলিশের বিরুদ্ধে ও অভিযোগ রয়েছে যে, দৈনিক ৩০—৫০ টাকা নিয়ে হকারদের বসার ব্যবস্থা করতে। পুলিশের সোর্স হানিফ ও নুরুল ইসলাম এই চাঁদা সংগ্রহ করে বলে দোকানীরা প্রতিবেদককে জানিয়েছেন। বিষয়টি গুরত্ব সহকারে দেখবেন বলে নব নিযুক্ত থানার ওসি আবুল কালাম জানিয়েছেন, এছাড়াও অবৈধ দখলে থাকার বিষয়টি নিয়ে থানায় বৈঠক হয়েছে শীঘ্রই ব্যবস্থা নিবো।

এলাকাবাসীর দাবি যে, ফুটপাত দখল মুক্ত করে যানযট নিরসনে ভূমিকা রাখার জন্য যথাযথ কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করবেন।


আরোও সংবাদ