ইঞ্জিনিয়ার আবদুল খালেকের মূল্য লক্ষ্য ছিলো চট্টগ্রামের মানস সংস্কৃতিতে আলো বিস্তার

প্রকাশ:| শনিবার, ১২ জুলাই , ২০১৪ সময় ০৭:৩৬ অপরাহ্ণ

Screenshot_4ইঞ্জিনিয়ার আবদুল খালেক কেবল যে চট্টগ্রামের ঘরে ঘরে আলো ছড়াবার দায়িত্ব পালন করেছেন তা নয়। চট্টগ্রামবাসীর, বিশেষ করে চট্টগ্রামের পিছিয়ে পড়া বাঙালি মুসলমানদের মনোজগতে আলো ছড়িয়ে দেওয়াও তাঁর জীবনের ব্রত ছিলো। ১৯৩২ সালে প্রতিষ্ঠিত কোহিনূর ইলেকট্রিক প্রেস, ১৯৩৮ সালে প্রতিষ্ঠিত কোহিনূর লাইব্রেরী এবং ১৯৫০ সালে তাঁর সম্পাদনায় সাপ্তাহিক কোহিনূরের প্রকাশ নিঃসন্দেহে তারই প্রমাণ হয়ে আছে।
কোহিনূর নামের মধ্যেই আছে আলো ও তার দীপ্তির ইঙ্গিত। এই তিনটি প্রতিষ্ঠানের নামের সঙ্গে কোহিনূর শব্দটির অবিচ্ছেদ্য যোগ। এ তিন প্রতিষ্ঠানের মধ্যে পারস্পরিক ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক এবং এদের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যের অভিন্ন সম্পর্ক থেকে এটা স্পষ্ট যে, মুদ্রণ-প্রকাশনা-সম্পাদনা ও বই বিপণনের যে পথ তিনি বেছে নিয়েছিলেন তার মূল্য লক্ষ্য ছিলো চট্টগ্রামের মানস সংস্কৃতিতে আলো বিস্তারের মাধ্যমে আলোকিত মানুষ গড়ায় সহায়তা দান।
দৈনিক আজাদী’র প্রতিষ্ঠাতা ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ আবদুল খালেকের ১২২তম জন্মদিন (আগামী ২০ জুলাই) যথাযোগ্য মর্যাদায় উদ্যাপন উপলক্ষে ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ আবদুল খালেক ও অধ্যাপক মোহাম্মদ খালেদ স্মৃতি পরিষদ আয়োজিত প্রস্তুতি সভায় বক্তারা উপর্যুক্ত অভিমত ব্যক্ত করেন।
পরিষদের সভাপতি বিশিষ্ট শিল্পপতি মুহাম্মদ ওসমান গণি চৌধুরীর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক লেখক-সাংবাদিক শওকত বাঙালির সঞ্চালনায় অন্যদের মধ্যে অভিমত ব্যক্ত করেন চট্টগ্রাম জেলা পিপি অ্যাডভোকেট আবুল হাশেম, পরিষদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ হাসান মুরাদ চৌধুরী, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক সাব্বির হোসাইন, সদস্য গল্পকার ইফতেখার মারুফ, অধ্যাপক খালেদ তনয় মোহাম্মদ জহির প্রমুখ।
সভায় সর্বসম্মতিক্রমে পরিষদের সহ-সভাপতি ও চট্টগ্রাম জেলা পিপি অ্যাডভোকেট মো. আবুল হাশেমকে আহবায়ক ও মুহাম্মদ হাসান মুরাদ চৌধুরীকে সদস্য সচিব করে ৫ সদস্যের “ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ আবদুল খালেক জন্মদিন উদ্যাপন উপ কমিটি” গঠন করা হয়। কমিটির সদস্যরা হলেন-মোহাম্মদ আবদুর রহিম, শিল্পী শওকত জাহান, ও অ্যাডভোকেট আশফাক আহমেদ। আগামী ১৬ জুলাই বিকেল ৩টায় দৈনিক আজাদী ভবনের ৪র্থ তলায় সংগঠনের চূড়ান্ত প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হবে।